২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
যে সমাজে মানুষের চেয়ে কোনো প্রতীক বড় হয়ে ওঠে, সেখানে মানবতা হারাতে বাধ্য। গরুকে ভালোবাসা বা ধর্ম পালন করা কোনো অপরাধ নয়; অপরাধ তখনই শুরু হয়, যখন গরু মানুষ হত্যার অজুহাত হয়ে দাঁড়ায়, যখন ধর্ম পরিণত হয় রাজনৈতিক অস্ত্রে।
নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সহিংসতার ঘটনা ‘উল্লেখযোগ্য হয়ে বেড়েছে’ বলেও পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।
“একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ভোটের যে পরিবেশ তৈরি করার কথা, সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশন, সরকার উভয়ই নির্লিপ্ততা প্রদর্শন করছেন,” বলেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
এজন্য নির্বাচন কমিশনের ‘ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট সেল’ আরো সক্রিয় করার কথা বলা হয়েছে বিবৃতিতে।
অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস বলেন, “বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, কিন্তু অন্য ধর্ম শান্তিতে পালন করা যায়নি এই ১৮ মাসে।”
নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহ মানে ঝুঁকি নেওয়া, কিন্তু নিরাপদ থাকাটাও জরুরি। সাংবাদিকরা পাবলিক ওয়াচডগ; তাদের সুরক্ষা মানে জনগণের তথ্যাধিকার নিশ্চিত করা।
রাষ্ট্র যদি ধর্ম, ভাষা, জাতি, সম্পদ বা অন্য কোনো সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে চলে, তবে তা পরিবার হতে ব্যর্থ হয় এবং জঙ্গলের যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়।
ধর্মকে রাষ্ট্রক্ষমতার একমাত্র নৈতিক ভিত্তি বানানোর চেষ্টা শেষপর্যন্ত ধর্মকেই রাজনৈতিক ব্যর্থতার দায় বইতে বাধ্য করবে, আর তার মূল্য দেবে সমাজের সবচেয়ে সংখ্যালঘু অংশগুলো।