১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
বিশ্বের দুই শীর্ষ অর্থনীতির মধ্যে বাণিজ্য আলোচনায় অচলাবস্থার জন্যও বেইজিংকে দোষারোপ করেছেন তিনি।
চীন দুর্লভ খনিজ রপ্তানি নীতি আরও কঠোর করায় বেইজিংয়ের কড়া সমালোচনা করার পর তার এ হুমকি এল।
ট্রাম্পের হাতে শুল্ক যেন এক জাদুর কাঠি— যার ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে মার্কিন কূটনৈতিক সম্পর্কের রসায়ন। এক ছাতার নিচে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ক্ষুব্ধ দেশগুলো এবং এভাবেই হয়তো তৈরি হতে যাচ্ছে পরাশক্তির নতুন বলয়।
সুইডেনের স্টকহোমে হওয়া দুইদিনের আলোচনাকে ‘গঠনমূলক’ বলেছে বেইজিং ও ওয়াশিংটন।
পরিস্থিতি মোকাবেলায় জাপান, ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কূটনীতিক ও শিল্পখাতের নেতারা চীনের সাথে জরুরি আলোচনায় বসার চেষ্টা করছেন।
“আদালতের নয়, পররাষ্ট্র নীতি ও অর্থনৈতিক নীতি ঠিক করার দায়িত্ব রাজনৈতিক শাখার,” আপিল আবেদনে বলেছিল ট্রাম্প প্রশাসন।
“ইইউ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য অতুলনীয়; হুমকি নয়, পারস্পরিক শ্রদ্ধা-সম্মানের ভিত্তিতে এটি পরিচালিত হওয়া উচিত। আমরা আমাদের স্বার্থ রক্ষায় প্রস্তুত,” বলেছেন ইইউ’র বাণিজ্য কমিশনার মারোস সেফকোভিচ।
এর ফলে আপাতত আগামী তিন মাস যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকা চীনা পণ্যকে দিতে হবে ৩০% শুল্ক, মার্কিন পণ্যে চীনের শুল্ক হচ্ছে ১০%।