০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
ডিসেম্বরের পোল্যান্ডের বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় যে সাইবার হামলা চালানো হয়েছে তা ছিল গত কয়েক বছরের মধ্যে দেশটির জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর আনা সবচেয়ে বড় আক্রমণ।
গোটা বিশ্বে ২৭ শতাংশ ব্যবহারকারী অনলাইনভিত্তিক সাইবার আক্রমণের শিকার হয়েছেন এবং ডিভাইসভিত্তিক হামলার মুখে পড়েছেন ৩৩ শতাংশ।
ব্যবহারকারীরা যেন কেবল অফিশিয়াল উৎস থেকেই ভিপিএন অ্যাপ ডাউনলোড করেন এবং গুগল প্লে স্টোরে যেসব অ্যাপের পাশে ভিপিএন ব্যাজ আছে তা চেক করে ব্যবহার করেন।
এ সাইবার হামলার পথকে ‘আধুনিক ব্যাংকিং ম্যালওয়্যার জালিয়াতির ভিত্তি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন গবেষকরা। এতে ব্যবহারকারীর মতোই ডিভাইসটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নেয় হ্যাকাররা।
হ্যাকিংয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ ধরনের এক সাইবার আক্রমণের দিকে নজর দিয়েছেন নিরাপত্তা গবেষকরা, যেখানে অ্যামাজন, গুগল ও টেলিগ্রামের ছদ্মবেশ ধারণ করছে সাইবার অপরাধীরা।
নির্ভরযোগ্য সফটওয়্যার টুল ব্যবহার করে ভাইরাস স্ক্যান করা সম্ভব। যা সংবেদনশীল তথ্য সুরক্ষিত রাখার পাশাপাশি ডিভাইস ক্রমাগত পর্যবেক্ষণ এবং পরীক্ষা করে।
ফোনে ভাইরাস আছে কিনা নিশ্চিত হওয়ার পর আপনি কিছু ধাপ অনুসরণ করে এর থেকে মুক্তি পেতে পারেন।
এ “অত্যাধুনিক সাইবার আক্রমণে” হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা কল না ধরলেও ভিডিও কলের মাধ্যমে ভাইরাস ছড়িয়েছিল দলটি।