০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
“দেশের মানুষের লড়াই-সংগ্রাম থেকে উদ্ভূত গণচেতনা পদদলিত করার কলঙ্কময় নজির স্থাপন হলো আজ,” বলছে ছাত্রফ্রন্ট।
“একটি গণতান্ত্রিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন শহীদ বুদ্ধিজীবীরা,” বলেন প্রধান উপদেষ্টা।
বসনিয়ার গণহত্যাকে কেন্দ্র করে ট্রায়াম্ফালিজমের যে বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা হয়েছে সেগুলো পড়লে মনে হয় যেন বাংলাদেশের কথাই বলা হচ্ছে। কারণ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও গণহত্যা অস্বীকারের রাজনীতিতে একই ধরনের বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়।
আগামী নির্বাচন ‘সাংঘাতিক রকমের উৎসবমুখর’ দেখতে চান বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম। শুক্রবার বিকালে চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
অনেকেই সন্তানদের নিয়ে জাদুঘরে যান ইতিহাস আর ঐতিহ্যের সঙ্গে তাদের পরিচয় করিয়ে দিতে। জাদুঘরে ঘুরে মুক্তিযুদ্ধ আর স্বাধীনতার কোন ইতিহাস জেনে তারা বাড়ি ফেরেন?
“যারাই শাসক ছিল এবং যারা ক্ষমতায় যাওয়ার চিন্তা করছে তারাও ইতোমধ্যে ভারতের দালালি শুরু করেছে।”
জে এন দীক্ষিত লিখে গেছেন, পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধের যৌথ কমান্ডের বাংলাদেশের সেনাপতি এমএজি ওসমানীকে উপস্থিত করতে না পারাটা ছিল ভারতীয় কর্তৃপক্ষের ‘দুর্ভাগ্যজনক স্খলন’।
আওয়ামী লীগের প্রথম সভাপতি ছিলেন ভাসানী। যদিও জন্মের লগ্নে দলের নাম ছিল ‘আওয়ামী মুসলিম লীগ’। দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো আওয়ামী লীগই ভাসানীকে নিয়ে খুব একটা চর্চা করেনি, বরং বিস্মৃতির অতলে বিলীন করে দেওয়ার চেষ্টা করেছে।