২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
“পাপেট আন্দোলন এবং সাংস্কৃতিক জাগরণে মুস্তাফা মনোয়ারের অসামান্য অবদান বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।”
“বাংলাদেশ টেলিভিশন যে আমাদের মধ্যবিত্তদের একটা উন্নতমানের রুচি দিতে পেরেছিল, তার অন্যতম কারিগর ছিলেন মুস্তাফা মনোয়ার।”
শ্রদ্ধা নিবেদন পর্ব শেষে জানাজার জন্য শহীদ মিনার থেকে মরদেহ নেওয়া হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে।
বনানী কবরস্থানে সমাহিত করা হবে মুস্তাফা মনোয়ারকে।