২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
ছোট ও বড় ভূমিকম্প উভয়েরই শুরুর দিকের লক্ষণ প্রায় একই রকম দেখা যায়। শুরুর মুহূর্ত দেখে বোঝা যায় না কোন কম মাত্রার নাকি বড় মাত্রার ভূমিকম্প হবে।
আমাদের সৌরজগত যখন মিল্কি ওয়ে ছায়াপথের ভেতর দিয়ে চলেছে সেই মহাজাগতিক ভ্রমণও এর পেছনে প্রভাব ফেলতে পারে।
গবেষকরা এখনও নিশ্চিত নন, তাপের কোন উৎস কোটি কোটি বছর ধরে চাঁদের এই স্তরটিকে গলিত রাখতে সহায়তা করেছে।
ম্যান্টলের বিভিন্ন প্লামের মূল হতে পারে এইসব অঞ্চল, যা এই বড় আকারের ও নাছোড়বান্দা প্রকৃতির আগ্নেয়গিরি তৈরি করে।
যখন একাধিক নিউক্লিয়াস পারমাণবিক ফিউশন ঘটানোর মতো যথেষ্ট কাছাকাছি চলে আসে, তখন বিভিন্ন নিউক্লিয়ন এক নিউক্লিয়াস থেকে আরেক নিউক্লিয়াসে স্থানান্তরিত হতে পারে।