০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
এসব বহির্গ্রহের বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৫ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যা আমাদের বৃহস্পতি গ্রহের বাতাসের চেয়েও শক্তিশালী।
এ নতুন অতিথিটির আকার খুবই ছোট, প্রস্থে প্রায় একশ ১৮ ফুট। এর তুলনায় আমাদের চাঁদের ব্যাসার্ধ প্রায় এক হাজার ৭৩৯ কিলোমিটার।
“প্রথমবার ডেটা বিশ্লেষণের সময় এর ফলাফল বিশ্বাসই করতে পারিনি। এজন্য অনেকবার গণনা চালিয়েছি। সব মিলিয়ে দশ বছরের পরিশ্রমের ফল এ গবেষণা।”
“প্রতিটি উল্কাপিণ্ডের পতন আমাদের একটি নতুন সূত্র দিয়েছে এবং এখন আমরা আরও বড় ছবিটি দেখতে শুরু করেছি।”
এসব গ্রহ দেখার সবচেয়ে ভালো সময় হচ্ছে মঙ্গলবার, বুধবার, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার সূর্যাস্তের ঠিক পরেই।
ক্যালিস্টোতে যদি বিশাল সমুদ্র থাকে তবে শনির চাঁদ এনসেলাডাস বা অন্যান্য মহাসাগরীয় জগতের মতো এতেও সম্ভবত প্রাণের অস্তিত্ব থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
“টেলিস্কোপে বৃহস্পতি গ্রহ এবং তার চারটি গ্যালিলিয়ান উপগ্রহের দেখা মেলে শুরুতে। আর এর পুবে ধীরে ধীরে দেখা মেলে মঙ্গল গ্রহের।”
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা মজা করে এর নাম দিয়েছেন, ‘প্ল্যানেট প্যারেড’। বলতে গেলে, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের প্রায় পুরোটা সময় জুড়েই তাদের দেখা মিলবে।