২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
ইতিহাস যখন বর্তমানের মুখোমুখি! শান্তি কমিটি, রাজাকার আর আলবদরের নৃশংসতা কি কেবলই অতীতের গল্প, নাকি বর্তমান রাজনীতিরও এক বড় সতর্কবার্তা?
পাঠ্যবই থেকে ‘বঙ্গবন্ধু’ শব্দ ছেঁটে ফেলা, বক্তৃতা-বিবৃতিতে বুদ্ধিজীবী হত্যার দায় অস্বীকার—এসব কি মুক্তিযুদ্ধকে নতুন যুদ্ধের মুখে ঠেলে দিচ্ছে?
৩০ লাখ শহীদের সংখ্যা নিয়ে কুতর্ক, বুদ্ধিজীবী হত্যার দায় অস্বীকার, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান দিয়ে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকে প্রতিস্থাপনের চেষ্টা—এই সবকিছু মিলিয়ে ইতিহাস আজ আক্রমণের মুখে।
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, অবস্থান কর্মসূচি সাময়িকভাবে স্থগিত করা হলেও তাদের আন্দোলন চলবে।
দ্রুত তালা খুলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চাকসুর ভিপি।
ভিসি, প্রোভিসি, রেজিস্ট্রার ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নিজেদের কক্ষে অবস্থান করছেন।
স্বাধীনতার পরপরই যুদ্ধাপরাধী, রাজাকারসহ পাকিস্তানপন্থি সকল বাহিনীর তালিকা চূড়ান্ত ও বিচার করা যুক্তিযুক্ত ছিল। কিন্তু সেটি করতে না পারার ব্যর্থতায় বাঙালি জাতিকে এখনও চরম মূল্য দিতে হচ্ছে।
মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির বিজয় যখন অনিবার্য; তখন রাজাকার, আল-বদর বাহিনীর সহযোগিতায় পাকিস্তানি বাহিনী হত্যা করে বাংলাদেশের প্রথিতযশা বুদ্ধিজীবীদের।