২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
একসময় যে জামায়াতে ইসলামী ১৯৭১ সালের কথা উচ্চারণ করতেই অস্বস্তিতে ভুগত, তারাই এখন স্বাধীনতা ঘোষণার আদি অধ্যায়ে নতুন চরিত্র সংযোজনের দায়িত্ব নিয়েছে।
২০১৯ সালের ২০ জানুয়ারি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে এসে সাহাবুদ্দিন আহমেদ তার দেহদানের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে গিয়েছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য হাতে গোনা যে কয়জন বেসামরিক ব্যক্তি বীর উত্তম খেতাব পেয়েছেন, তিনি তাদের একজন।
মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি ‘বীর উত্তম’ খেতাব পান।
যুদ্ধের একেবারে শেষ দিকে ভাটিয়াপাড়ার যুদ্ধে তার চোখে গুলি লাগে। সেই ঘটনা নিয়ে কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ লেখেন কবিতা ‘কমলের চোখ’।