২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
“মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য রুখতে পারলে হজের সার্বিক খরচ অনেক কমে আসবে, যা সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে থাকবে।”
মন্ত্রণালয়ের নেওয়া পদক্ষেপের কার্যকারিতা যাচাই করতে রোববার রাতে শাহজালাল বিমানবন্দর পরিদর্শন করেন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
“আন্তর্জাতিক সব ফ্লাইটের উড্ডয়ন-অবতরণ স্বাভাবিক রয়েছে,” বলেন বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক।
“আমাদের দেশ থেকে যারা মধ্যপ্রাচ্যে যায়, তাদের টিকেটের দাম অনেক বেশি পড়ে যায়; এই পুরো প্রক্রিয়ায় আমাদের কিছু নিয়ম আছে,” বলেন তদন্ত কমিটির প্রধান।
‘ওয়ার্কার ফেয়ার’ নামের এ সুবিধা মিলবে ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত, বলেন বিমানের এক কর্মকর্তা।
“এভাবে টিকেট মজুদদারি করার ফলে সিন্ডিকেট তৈরি হয়, আসন সংকট দেখা দেয়, টিকেট মূল্য ২০ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশ, কখনো দ্বিগুণ-তিনগুণ পর্যন্ত বাড়ে।”
এবার দুই ধরনের প্যাকেজ ঘোষণা হতে পারে। মসজিদুল হারামের কাছে আবাসনে খরচ হবে বেশি, একটু দূরে আবাসনের ব্যবস্থায় কিছুটা কম পড়বে।
“হজের যে খরচ, সেটি যাতে যৌক্তিক পর্যায়ে কমিয়ে আনা যায়, সেজন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কাজ শুরু করেছ,” বলছেন রিজওয়ানা হাসান।