২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
আদি মহাবিশ্বের এ প্রচণ্ড উত্তাপের পেছনে তিনটি বিশাল ব্ল্যাক হোল থাকতে পারে, যা থেকে নির্গত প্রচণ্ড শক্তি আশপাশের গ্যাসকে উত্তপ্ত করে তুলছে।
এসব লাল বিন্দু ছায়াপথ নয়, বরং হতে পারে তরুণ সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোলের আশপাশে গ্যাসের বিশালাকার গোলক।
গবেষকরা বলছেন, মহাবিশ্ব কীভাবে ছড়াতে শুরু করল সেটা না ভেবে, আগে কল্পনা করা যেতে পারে, সবকিছু যদি ভেঙে এক জায়গায় জমাট বাঁধত, তাহলে কী হত।
এই প্রাচীন আলো কোটি কোটি বছর ধরে মহাকাশে ভ্রমণ করে আসছে এবং এটিই গবেষকদের আদি মহাবিশ্বের ছবি দিয়েছে।
প্রথম ছায়াপথের সময়ে যদি পানি গঠিত হতে পারে তাহলে কোটি কোটি বছর আগে তৈরি বিভিন্ন গ্রহের প্রাথমিক বিকাশেও ভূমিকা রাখতে পারে পানি।
তিন লাখ আশি হাজার বছর বয়সে মহাবিশ্বের রং ছিল উজ্জ্বল-উষ্ণ চকচকে পিচ কমলা। এর পর মহাবিশ্বের তাপমাত্রা নেমে আসে ২৭২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।