০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
একটি প্রকল্পের মাধ্যমে বিটিআরসিকে গবেষণা করে ৬ মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
বিজ্ঞানীদের অনুমান, আমাদের মিল্কিওয়ে ছায়াপথ মূলত বিশাল এক মেঘ থেকে তৈরি হয়েছে। সেই মেঘে ডার্ক ম্যাটার ও সাধারণ পদার্থ মিশে ছিল।
জেটের আশপাশের বাতাসকে টেনে নিয়ে সেটিকে জোরে চেপে ধরে এই প্লাজমা ইঞ্জিন। তারপর সেটিকে মাইক্রোওয়েভ রেডিয়েশন বা বিকিরণ দিয়ে আঘাত করে।
গবেষকরা বলছেন, পৃথিবীর ভেতরের এ ব্যবস্থা সব সময়ই পরিবর্তনশীল। ফলে কোথাও চৌম্বক ক্ষেত্র শক্তিশালী হচ্ছে, আবার কোথাও তা দুর্বল হয়ে পড়ছে।
এ নির্গত আলোকে ‘বায়োফোটন’ বলা হচ্ছে, যা শনাক্ত করতে পারলে মানুষের শরীরের ভেতরে কী ঘটছে সে সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা যেতে পারে।
এখনও নিশ্চিত নয় যে, সুপারনোভাই সরাসরি এর জন্য দায়ী কি না। তবে সময় মিলে যাওয়ার বিষয়টি একইসঙ্গে রোমাঞ্চকর ও কাকতালীয়।