৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
রাত ১২টার পর অভিভাবকদের চোখ ফাঁকি দিয়ে বের হওয়া, বাগান থেকে ফুল সংগ্রহের সেই রোমাঞ্চকর ‘সংগ্রাম’ আর হাড়কাঁপানো শীতে খালি পায়ে প্রভাতফেরি—সব মিলিয়ে একুশ ছিল এক আত্মপরিচয় খোঁজার মহড়া।
একুশের ভোরে শ্রদ্ধার ফুল হাতে নাঙ্গা পায়ে শহীদ মিনারে; কণ্ঠে কণ্ঠে প্রভাতফেরির গান- ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’।
অন্তত তিন বার জাতীয় সংগীত পরিবর্তনের আলাপ সরকারি পর্যায়েও হয়েছে। এখন আবার পুরোনো আলাপটিকে নতুন করে সামনে এনে আমাদের যে পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়েছে, সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।