১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
মস্তিষ্কের বিভিন্ন নিউরন উদ্দীপিত হচ্ছে, সিন্যাপসের মধ্য দিয়ে সংকেতগুলো ছুটে চলেছে, আর তখনই মানুষ এ পৃথিবীর রূপ-রস-গন্ধ অনুভব করতে পারছেন।
ঘুমের অভাবে মায়োলিন পাতলা হয়ে যাওয়ায় নিউরনের মধ্যকার পারস্পরিক সংকেত ধীর হয়ে যায়, যা মানসিক ক্লান্তি ও ‘ব্রেন ফগ’ বা চিন্তাভাবনায় অস্পষ্টতা তৈরির ঝুঁকি বাড়ায়।
মানুষের মস্তিষ্কের মতোই কাজ করে এই সিস্টেম। মানুষের মস্তিষ্ক যখন নতুন কিছু শেখে তখন অপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন লিংক সরিয়ে ফেলে যাতে শেখা আরও কার্যকর হয়।
‘বায়োকম্পিউটিংয়ে’ জীবিত কোষ বা জীববিজ্ঞানের উপাদান ব্যবহার করে কম্পিউটার বা তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করা হয়, যা প্রচলিত কম্পিউটার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
এসব কম্পিউটার বিক্রির জন্য বাজারে আসবে এ বছরের জুনে এবং প্রতিটি ইউনিটের দাম হবে প্রায় ৩৫ হাজার ডলার।
মানুষের শেখার সিমুলেশন বা অনুকরণ করতে দেহের দুটি কোষকে রাসায়নিক সংকেতের বিভিন্ন প্যাটার্নের সঙ্গে প্রকাশ করেছেন গবেষকরা।