১৬ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩
যে সব এলাকায় ভূমিধস হয়েছে সেখানে মাটিতে চাপা পড়া মৃতদেহ উদ্ধারে শত শত সেনা ও পুলিশ সদস্য কাজ করছেন।
বন্যা ও ভূমিধসের কারণে গত সপ্তাহে ব্যাহত হওয়া রেল যোগাযোগ ও ফ্লাইট পুনরায় চালু হলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।
বন্যা ব্যবস্থাপনা, অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান, চিকিৎসা সহায়তা এবং অন্যান্য মানবিক প্রয়োজনসহ সম্ভাব্য যে কোনো সহায়তা দিতে বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে।”
তবে এ ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব বাংলাদেশের উপকূলে সেভাবে পড়বে না বলে পূর্বাভাস দিয়েছেন আবওহাওয়াবিদ শাহিনুল।
দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন শ্রীলঙ্কা উপকূলের নিম্নচাপটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। ইতোমধ্যে ঘূর্ণিবায়ুর চক্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে এর নাম হবে ‘দিতওয়া’। নামটি প্রস্তাব করেছিল ইয়েমেন।