২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। মে মাসের জন্য বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেলের যোগান নিশ্চিত করেছে দেশটি। পাশাপাশি আমদানি উৎসেও পরিবর্তন এনেছে।
জ্বালানি তেলের দামে লাফের পরও পেট্রোল পাম্পগুলোর চিত্র বদলায়নি। আগের মতই লম্বা সারিতে বাহন নিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষা চালকদের। তেল নিতেই কেটে যাচ্ছে ৫ থেকে ১২ ঘণ্টারও বেশি সময়।
যুক্তরাষ্ট্র স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ থেকে ২ কোটি ৬০ লাখ ৩০ হাজার ব্যারেল তেল ৯টি কোম্পানিকে ধার হিসেবে দিচ্ছে। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করছে ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব এনার্জি। ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ২৮ ফেব্রুয়ারির পর থেকে তৃতীয় দফায় তেল ছাড় কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। ১২০ দিনের মধ্যে মোট ১৭ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তেল সংকট নিয়ে রোববার সংসদে সরকারের সমালোচনা করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
“ধামাচাপা দিলে কি সেচের পাওয়ার টিলার চালানোর জন্য কৃষক ভাইটা তেল পাবে,” বলেন জামায়াত আমির।
জ্বালানি তেল সংকটে দেশের অনেক ফিলিং স্টেশন বন্ধ। যেগুলো খোলা আছে, সেখানে লম্বা লাইন দিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা তেলের জন্য অপেক্ষা করছেন যানবাহন চালকরা। গরমে চরম ভোগান্তি হলেও উপায় নেই। দিনের পর দিন এভাবেই চলছে তেল সংগ্রহ।
কাজী ফিলিং স্টেশনের সহকারী ম্যানেজার বলেন, “বৈশাখের ছুটির কারণে ডিপো থেকে সরবরাহ না থাকায় এই সংকট তৈরি হয়েছে।”
“তেল নাই, বৃষ্টি হচ্ছে—এগুলা বলা হচ্ছে দাম বাড়িয়ে। এসব তো কোনো কথা না, সব টালবাহানা।”