০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
২৬০ জনের প্রাণ কেড়ে নেওয়া দুর্ঘটনার পেছনে কোম্পানি দুটির অবহেলাজনিত দায় আছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা।
সম্প্রতি বিমানের বেশ কিছু ফ্লাইট কারিগরি জটিলতায় পড়ে। সবচেয়ে বেশিবার জটিলতায় পড়ে বহরে থাকা বোয়িং উড়োজাহাজগুলো।
সরকারের পক্ষ থেকে যখন বিমানের জন্য একযোগে ২৫টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার কথা হচ্ছে, তখন একের পর এক ত্রুটির মুখে পড়ছে বিমানের বহরে থাকা বোয়িংগুলো।
বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজটিতে ২৮৭ জন যাত্রী ছিলেন।
এয়ার ইনডিয়ার ভয়াবহ দুর্ঘটনার ক্ষত এখনও স্পষ্ট, যাত্রীরা সেই ভয় আর আতঙ্ক নিয়েই পা রাখছেন উড়োজাহাজে। এর মধ্যেই ৩৬ ঘণ্টার ব্যবধানে চারটি ফ্লাইট জরুরি অবতরণ করায় আরও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছেন যাত্রীরা।
দুর্ঘটনার তদন্ত শেষে নির্মাতা কোম্পানি রক্ষণাবেক্ষণ প্রশ্নে যেসব নির্দেশনা দেবে তা বাস্তবায়ন করা হবে।
এয়ার ইনডিয়ার লন্ডনগামী ওই ফ্লাইটের কেবল একজনের বেঁচে যাওয়ার তথ্য মিলেছে।
“ভারতের জনগণ ও সরকারের সঙ্গে আমরা সংহতি প্রকাশ করছি এবং প্রয়োজনীয় যে কোনো সহায়তা দিতে আমরা প্রস্তুত।”