২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
রাষ্ট্রের নীরবতায় ফুলেফেঁপে বিকশিত হচ্ছে ধর্মীয় উগ্রতা। বাংলাদেশ এগোচ্ছে আত্মবিনাশী পথে, যে পথের বাঁকে ‘পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ’ কিনা জিজ্ঞেস করার মতো মানুষের বড্ড অভাব দেখা দিয়েছে।
আবুল সরকারের মুক্তি এবং বাউলদের ওপর হামলার বিচারের দাবিতে শাহবাগে মশাল মিছিল করেছে সামাজিক সংগঠন সম্প্রীতি যাত্রা।
সামাজিক সংগঠন সম্প্রীতি যাত্রার আয়োজনে শাহবাগে ‘গানের আর্তনাদ’ অনুষ্ঠানে হামলার অভিযোগ উঠেছে। আয়োজকদের দাবি, জুলাই মঞ্চের আহ্বায়কের নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়। আবুল সরকারের মুক্তির দাবি এবং বাউল শিল্পীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জাতীয় জাদুঘরের সামনে এ আয়োজন করে সম্প্রীতি যাত্রা।
“গতকালের হামলায় জাতীয় পার্টির সঙ্গে কারা ছিল, জাতীয় পার্টিতে তো লোকজন নাই, এরা যুবলীগ, এরা ছাত্রলীগ,” বলেন আরিফুল।
“সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখার জন্য আমরা সতর্ক আছি।”
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সচিবালয়ের ভেতরে বিক্ষোভ করেছেন কর্মচারীরা। প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্রের প্রধান ফটকে মোতায়েন করা হয় বিশেষায়িত বাহিনী সোয়াট। দর্শনার্থী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় দুপুর পর্যন্ত গণমাধ্যমকর্মীরাও প্রবেশ করতে পারেননি সচিবালয়ে।
সচিবালয় থেকে ‘ফ্যাসিবাদের’ দোসর আমলাদের অপসারণের দাবিতে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনের সামনে অবস্থান নেয় জুলাই মঞ্চ। ১৪৪ ধারা রক্ষার অনুরোধ জানিয়ে পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, দেশটা কিন্তু ‘ল-লেস’ হয়ে যায়নি। তার পাল্টায় আন্দোলনকারীরা বলেন, ১৬ বছর ল কই ছিল?