০৪ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
“বিচারকাজ শেষে হঠাৎ করে একটি ভিডিওর ভিত্তিতে যেভাবে এটিকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে, তাতে আমরা সংক্ষুব্ধ,” দণ্ডিতের আইনজীবী।
এছাড়া একজনের যাবজ্জীবন এবং অপর পুলিশ সদস্যের ২০ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে।
সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ পুলিশের পাঁচ কর্মকর্তা রয়েছেন আসামি তালিকায়; এর মধ্যে কেবল একজন গ্রেপ্তার হয়েছেন।
“একজন অপরিচিত ব্যক্তি সৈকতের ফোনটি ধরেন এবং আমার বাবাকে বলেন, এই ফোনটি যার, তিনি পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন,” বলেন সাবরিনা।
“আসামি জামিন পেলে পলাতক হবেন না। এছাড়া তিনি বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত। তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগও নেই,” বলেন সাথীর আইনজীবী।
গত বছরের ৫ নভেম্বর উত্তরার বাসা থেকে আটক করা হয় শমী কায়সারকে। পরে তাকে জুলাই আন্দোলনের সময়কার একটি হত্যাচেষ্টার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।