১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
বিশেষজ্ঞদের মতে, এবারের বন্যার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক শুধু সাত জেলার বন্যা নয়; বরং বৃষ্টিপাতের ধরন এবং বন্যাপ্রবণ এলাকার পরিবর্তন।
“চট্টগ্রামের বাঁশখালী, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, বোয়ালখালী ও সন্দ্বীপ উপজেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে,” বলেন প্রতিমন্ত্রী।
“আল্লাহ না করুন, আবার যদি ভারি বৃষ্টিপাত বা বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে নদীভাঙন ও মানুষের জানমাল রক্ষায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।”
সোমেশ্বরী নদীর পানি নেত্রকোণার কলমাকান্দা পয়েন্টে শনিবার সন্ধ্যায় বিপৎসীমা অতিক্রম করে।
বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে আরো ১৪ জেলা।
পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল চলাচল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। ভারি বৃষ্টিতে তলিয়ে যাওয়া রেলপথ দেখতে বুধবার দুপুরে নগরীর ষোলশহর শমসের পাড়ায় গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইনের একাধিক অংশ তলিয়ে যাওয়ায় পর্যটক এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস, প্রবাল এক্সপ্রেস ও সৈকত এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। দিনভর আটকে থাকার পর যাত্রীদের ফিরিয়ে আনা হয়েছে চট্টগ্রাম স্টেশনে।
দিনভর ট্রেনে আটকে থেকে যাত্রীরা এমনিতেই ভোগান্তিতে ছিলেন। মাঝরাতে যাত্রা বাতিল হওয়ায় শিশু, বৃদ্ধসহ নানা বয়সী যাত্রীরা বিপদে পড়ে যান।