০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
কূটনৈতিক টানাপড়েন ও উৎপাদন খরচ নিয়ে ঢাকার অসন্তোষের মধ্যে এ খবর এল।
আদানির চুক্তির সঙ্গে জড়িত সাত থেকে আটজন ব্যক্তির অবৈধ লেনদেনের তথ্য পেয়েছে জাতীয় কমিটি; যেখানে কয়েক মিলিয়ন ডলারের আর্থিক লেনদেন হয়েছে বলে বলা হয়েছে সংবাদ সম্মেলনে।
বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ সংকুচিত হয়ে আসাকে মূল কারণ বলছেন বিশ্লেষকরা।
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে শুল্ক ও কর অব্যাহতির সুবিধা নিয়ে ভারতীয় কোম্পানি আদানি সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার ‘রাজস্ব ফাঁকি’ দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
যুক্তরাষ্ট্রে ঘুষকাণ্ডে আদানি গোষ্ঠীর নাম জড়ানো নিয়ে সোমবার ভারতের পার্লামেন্ট অধিবেশনে আলোচনা চেয়েছে বিরোধীরা।
কর ‘ফাঁকির’ বিপুল এ অর্থ পিডিবির কাছ থেকে আদায়ের সুপারিশ করেছে দেশের প্রধান রাজস্ব আদায়কারী সংস্থার একটি তদন্ত কমিটি।
বাংলাদেশ বলেছে, সময় বেঁধে দেওয়ার খবর সত্যি হলে তা হবে হতাশাজনক।
আওয়ামী লীগের সময় করা বিদ্যুৎ চুক্তিগুলো পর্যালোচনা জন্য একটি কমিটি করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার; এর মধ্যে আদানির সঙ্গে করা চুক্তিও রয়েছে।