২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
প্রতিবছর হাজার কোটি টাকা খরচ করে বাঁধ দেওয়া পরও কেন কৃষকের স্বপ্ন অথৈ পানিতে তলিয়ে যায়? হাওরের কান্না থামানোর জন্য পকেটভারী প্রকল্প নয়, প্রয়োজন বিজ্ঞানভিত্তিক ও টেকসই পরিকল্পনা।
গত কয়েকদিনের বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে হবিগঞ্জে অনেক কৃষকের আধাপাকা বোরো ধান তলিয়ে গেছে।
২১০০ সালের মধ্যে পশ্চিমের জেলাগুলোতে বর্ষা শুরুর আগের ৯০ দিনের মধ্যে ৭০ দিনই তাপপ্রবাহ থাকতে পারে, বলা হয় প্রতিবেদনে।
চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসেব মতে জেলায় মোট ৮৭২ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কমলনগর উপজেলার বলিরপোল-নাছিরগঞ্জ সড়কটি অতিবৃষ্টি ও জোয়ারের পানির চাপে ভেঙে গেছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রায় প্রতিদিনই বৃষ্টি হচ্ছে। এতে আমের স্বাভাবিক পরিচর্যা, গাছ থেকে আম পাড়া ব্যাহত হচ্ছে। বাজারে আমের দাম কমে গেছে বলে দাবি চাষিদের।
টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা ও ফেনী থেকে আসা বন্যার পানিতে নোয়াখালীতে বেশ কয়েকটি উপজেলায় আউশ, আমনের বীজতলা শাক-সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন প্রান্তিক কৃষক।
টানা বর্ষণে ফেনীর ফুলগাজী, পরশুরামের মুহুরী, কহুয়া, সিলোনিয়া নদীর তীররক্ষা বাঁধের পুরোনো ভাঙন দিয়ে পানি ঢুকে শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। আটকে পড়াদের মানুষ উদ্ধারে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী ও বিজিবি।