‘অণুর দর্পণ’ রহস্যের সমাধান করে রসায়নে দুই বিজ্ঞানীর নোবেল
'অ্যাসিমেট্রিক অর্গানিক সিনথেসিসে নন-লিনিয়ার ইফেক্ট এবং অটোক্যাটালাইসিস' আবিষ্কারের জন্য তাদের এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।
কিছু অণু এমনভাবে গঠিত, যাদের দুটি রূপ যেন পরস্পরের প্রতিবিম্ব—যেমন ডান ও বাম হাত একে অপরের প্রতিবিম্ব। কিন্তু জীবজগতে এ ধরনের অণুর ক্ষেত্রে প্রায় সব সময়ই একটি নির্দিষ্ট রূপ দেখা যায়।
জীবদেহে এই একমুখী রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য কীভাবে তৈরি হল, এক শতাব্দীর বেশি সময় ধরে তা রসায়নবিদদের কাছে ছিল একটি রহস্য। সেই রহস্যের সমাধান করে চলতি বছরের রসায়নের নোবেল পাচ্ছেন দুই বিজ্ঞানী।
রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস বুধবার এ পুরস্কারের জন্য ফরাসি বিজ্ঞানী অঁরি কাগাঁ এবং জাপানি গবেষক কেনসো সোআইয়ের নাম ঘোষণা করে।
নোবেল কমিটির ঘোষণায় বলা হয়, 'অ্যাসিমেট্রিক অর্গানিক সিনথেসিসে নন-লিনিয়ার ইফেক্ট এবং অটোক্যাটালাইসিস' আবিষ্কারের জন্য তাদের এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।
অঁরি কাগাঁ এমন একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন, যার মাধ্যমে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় আগে ধারণার চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে একই ধরনের দর্পণ-প্রতিবিম্ব অণু তৈরি করা সম্ভব হয়।
তার এই উদ্ভাবন ওষুধ, সুগন্ধি, স্বাদ তৈরির উপাদান এবং নতুন উপকরণ তৈরিতে রাসায়নিক বিক্রিয়া উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অন্যদিকে, কেনসো সোয়াই এমন একটি রাসায়নিক বিক্রিয়া তৈরি করেন, যেখানে সম্ভাব্য দুই ধরনের দর্পণ-প্রতিবিম্বের মধ্যে কেবল একটিই তৈরি হয়। নোবেল কমিটির ভাষ্য অনুযায়ী, জীবনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ছাড়া এর আগে এমন ঘটনা কেউ ঘটাতে পারেননি।
সোয়াইয়ের নামে পরিচিত এই বিক্রিয়াকে রসায়নের অন্যতম চমকপ্রদ পরীক্ষামূলক সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
বিস্তারিত আসছে…
