কম বয়সীদের জন্য বন্ধ হচ্ছে স্ন্যাপচ্যাটের ‘পাবলিক স্পটলাইট’
স্ন্যাপচ্যাটের অন্যান্য ফিচারের মতো নয় এ ‘স্পটলাইট’-এ শেয়ার করা বিভিন্ন ভিডিও সম্পূর্ণ পাবলিক থাকে এবং যে কোনো ব্যবহারকারী তা দেখতে পারেন।
টিনএজারদের অনলাইন নিরাপত্তা বাড়াতে বড় পদক্ষেপ নিল স্ন্যাপচ্যাট। ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী ব্যবহারকারীদের শর্ট ভিডিও বা কনটেন্ট এখন আর সবার জন্য উন্মুক্ত ‘পাবলিক স্পটলাইট’ ফিচারে দেখা যাবে না।
বিশ্বজুড়ে তীব্র আইনি চাপ ও নজরদারির মুখে কম বয়সীদের সামাজিক চাপ কমাতে এবং সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্ন্যাপচ্যাট এ কড়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে প্রযুক্তি সংবাদের সাইট এনগ্যাজেট।
স্ন্যাপচ্যাটের অন্যান্য ফিচারের মতো নয় এ ‘স্পটলাইট’। এতে শেয়ার করা বিভিন্ন ভিডিও সম্পূর্ণ পাবলিক থাকে এবং যে কোনো ব্যবহারকারী তা দেখতে পারেন।
এ পর্যন্ত কেবল ১৩ বছর বয়সী ব্যবহারকারীদের এ ফিচারে কনটেন্ট আপলোডের সুযোগ দিত স্ন্যাপচ্যাট। তবে কম বয়সী টিনএজারদের ব্যক্তিগত প্রোফাইলকে তাদের এসব পাবলিক পোস্টের সঙ্গে যোগ করা হত না।
তবে বর্তমান পরিবর্তনের ফলে স্ন্যাপচ্যাট আর ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী কাউকেই বেশিরভাগ ব্যবহারকারীর কাছে দৃশ্যমান স্পটলাইটের এ সংস্করণে কনটেন্ট আপলোডের অনুমতি দেবে না।
এর পরিবর্তে, অ্যাপটি নতুন এক প্রোফাইল ফিচার তৈরি করছে, যার মাধ্যমে কম বয়সী টিনএজাররা এমন সব শর্টফর্ম কনটেন্ট তৈরি করতে পারবে, যা অ্যাপে থাকা কেবল তাদের পারস্পরিক বন্ধুদের কাছেই দেখাবে।
এসব প্রোফাইলে ‘স্টোরিজ’ পোস্টও রাখা যাবে, যা কম বয়সীদের ক্ষেত্রে বন্ধুদের বাইরে সাধারণ ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে লুকানো থাকবে।
স্ন্যাপচ্যাট বলেছে, এ পরিবর্তনের উদ্দেশ্য ‘বিশ্বস্ত দর্শক বা পরিমণ্ডলের মধ্যে সৃজনশীলতা ও আত্মপ্রকাশকে উৎসাহিত করা’।
এ ছাড়া এ পরিবর্তন কম বয়সী টিনএজারদের ওপর সচরাচর চেপে বসা সামাজিক চাপ কমাতেও সাহায্য করবে। কারণ এতে ‘ফেভারিটস’-এর মতো সংখ্যামূলক পরিমাপক বা ম্যাট্রিক্সগুলো সরিয়ে ফেলা হচ্ছে।
অন্যান্য সামাজিক মাধ্যম কোম্পানির মতো স্ন্যাপ’ও টিনএজারদের নিরাপত্তা ও প্রাইভেসি রক্ষার বিষয়ে ক্রমাগত কড়া নজরদারির মুখে পড়ছে।
গত কয়েক বছর ধরে নিজেদের ‘প্যারেন্টাল কন্ট্রোল’ ফিচারগুলোকে আরও শক্তিশালী করতে এবং প্রাপ্তবয়স্ক অপরিচিত ব্যক্তিদের পক্ষে টিনএজারদের সঙ্গে যোগাযোগ করা কঠিন করে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে স্ন্যাপচ্যাট।
শিশুদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে নিজেদের প্রশ্নবিদ্ধ রেকর্ডের কারণে কোম্পানিটি বর্তমানে অসংখ্য মামলার মুখেও পড়ছে।
