‘যদি ৩ গোলরক্ষক নিয়ে খেলতে পারতাম,’ ফ্রান্সের মুখোমুখি হওয়ার আগে ইরাক কোচ
মজা করে এ কথা বললেও তারকা সমৃদ্ধ ফ্রান্সের বিপক্ষে অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলার পরিকল্পনা নেই ইরাক কোচ গ্রাহাম আর্নল্ডের।
নরওয়ের বিপক্ষে ৪-১ ব্যবধানের বড় হারে বিশ্বকাপে পথচলা শুরু করলেও ফ্রান্সের বিপক্ষে আরও বেশি রক্ষণাত্মক হয়ে পড়তে চান না ইরাক কোচ গ্রাহাম আর্নল্ড। যদিও মজা করে বলেছেন, সম্ভবত হলে তিন গোলরক্ষক নামিয়ে দিতেন তিনি।
গত দুই আসরের ফাইনালিস্ট ফ্রান্স দলে তারকার ছড়াছড়ি। আক্রমণভাগে কিলিয়ান এমবাপে, উসমান দেম্বেলেরা যে রক্ষণ গুঁড়িয়ে দেওয়ার সামর্থ্য রাখেন। তাদের সামনেও জয়ের লক্ষ্য নিয়েই খেলতে নামার কথা বললেন ৪০ বছর পর ইরাককে বিশ্বকাপে ফেরানো কোচ।
“আমি সবসময়ই এমন কোচ, যে জয়ের প্রত্যাশা নিয়ে কোনো ম্যাচে খেলে... যদি আপনার এই মানসিকতা থাকে তো, হ্যাঁ এমন দিন থাকবে যখন এটা কাজ করবে না। তবে আপনি এমন প্রচুর দিন পাবেন যখন এটা কাজ করবে।”
এই টুর্নামেন্টে খুব বেশি দলের রক্ষণভাগকে নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচে এতো শক্তিশালী আক্রমণভাগের মুখোমুখি হতে হবে না।
প্রথম ম্যাচে ইরাককে মুখোমুখি হতে হয়েছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের তিনবারের শীর্ষ গোলদাতা আর্লিং হলান্ডের। নরওয়ের স্ট্রাইকার দলের জয়ে করেন জোড়া গোল।
আর এখন অপেক্ষায় সদ্য ফ্রান্সের ইতিহাসের সেরা গোলদাতার মুকুট পরা কিলিয়ান এমবাপে। সেনেগালের বিপক্ষে দলের ৩-১ ব্যবধানের জয়ে তিনি করেছেন জোড়া গোল। তাদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বাড়তি গোলরক্ষক নামানোর কথা বলে ঠাট্টা করেন আর্নল্ড।
“আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, তিন গোলরক্ষক নিয়ে খেলতে পারব কিনা, কিন্তু ওরা না বলে দিল। দেখুন, তাদের দলে কিছু অবিশ্বাস্য খেলোয়াড় আছে, ওদের বিপক্ষে খেলা সম্মানের। এটা সম্মানের এবং আমরা মাঠে নামব আর নিজেদের দিকে মনোযোগ দেব।”
“আমি নিজেদের পারফরম্যান্সের কথা বলছি। আমরা ফ্রান্সের পারফরম্যান্স নিয়ন্ত্রণ করতে পারব না কিন্তু আমরা নিজেদেরটা পারব। আর আমরা নিশ্চিত করার চেষ্টা করব যে, খেলার জন্য ও নিজেদের মেলে ধরার জন্য ফুটবলাররা পুরোপুরি তৈরি।”
