এতোর ভবিষ্যদ্বাণী ক্যামেরুনের জন্য ‘বাড়তি চাপ’ নয়
কাতার বিশ্বকাপ শুরুর আগে সামুয়েল এতো ভবিষ্যদ্বাণী করেন, ফাইনাল খেলবে তার দেশ ক্যামেরুন ও মরক্কো।
টুর্নামেন্ট শুরুর আগে সামুয়েল এতো ভবিষ্যদ্বাণী করেন, ফাইনাল খেলবে আফ্রিকার দুই দেশ ক্যামেরুন ও মরক্কো। দেশের ফুটবল ফেডারেশনের প্রধানের এই মন্তব্য কী ক্যামেরুনের জন্য বাড়তি চাপ? প্রধান কোচ রিগোবার্ট সং অবশ্য এমন কোনো শঙ্কা উড়িয়ে দিলেন।
প্রথম ম্যাচে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে সমান তালে লড়াই করে ক্যামেরুন। জাগায় একাধিক গোলের সম্ভাবনা। কিন্তু ফিনিশিং ব্যর্থতায় মেলেনি সাফল্য। সুযোগ কাজে লাগাতে না পারার পেছনে এতোর ভবিষ্যদ্বাণীর কোনো ভূমিকা দেখেন না সং।
বিশ্বকাপে ক্যামেরুনের সবশেষ জয় ২০০২ সালের আসরে। এতোর গোলে সৌদি আরবকে ন্যুনতম ব্যবধানে হারায় আফ্রিকান দেশটি। এরপর টানা ৮ ম্যাচে হেরেছে তারা।
এবার টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই ক্যামেরুনের ব্যাপারে বড় আশার কথা বলেন গত ডিসেম্বরে ফুটবল ফেডারেশনের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়া এতো। তবে সেটিকে কোনো রকমের চাপ বলতে নারাজ প্রধান কোচ সং। বরং খেলার সঙ্গে সাবেক তারকা ফরোয়ার্ডের সম্পৃক্ততা উপভোগ করেন তিনি।
“আমাদের ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট একজন ফুটবল অনুরাগী মানুষ। তিনি নিজে একজন ফুটবলার ছিলেন। তিনি ফুটবলে বাঁচেন, ফুটবলেই স্বপ্ন দেখেন। তবে তিনি আমাদের ওপর কোনো বোঝা চাপিয়ে দেন না।”
“আমার খেলোয়াড়রা এ কারণে (এতোর ভবিষ্যদ্বাণী) সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে গোল করতে পারেনি, এমন নয়। কখনও কখনও তিনি (এতো) নিজে জার্সি পরে মাঠে নেমে যেতে চান। কারণ, তিনি সবকিছু দিতে চান। প্রেসিডেন্ট খুবই ভদ্রলোক। সবসময় সহায়তা করেন। তার সঙ্গে কথা বলা সহজ। আমাদের মধ্যে অনেক যোগাযোগ হয়।”
সুইসদের কাছে হেরে যাত্রা শুরু করার পর এবার ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ ক্যামেরুনের সামনে। আল ওয়াকরার আল জানোব স্টেডিয়ামে সোমবার গ্রুপ পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে সার্বিয়ার মুখোমুখি হবে তারা। এই ম্যাচে ক্যামেরুন সবাইকে চমকে দেবে বলে বিশ্বাস দলটির প্রধান কোচের।
“আমরা জানি আমাদের সামনে ঠিক কী রয়েছে। এটি নির্ধারক ম্যাচ হবে এবং আমরা প্রস্তুত আছি। আমরা জানি আমাদের কী করতে হবে। আমরা সঠিক মানসিক অবস্থায় আছি।”
“মাঠে নামতে মুখিয়ে রয়েছি। বাঁশি বাজার অপেক্ষা আর সইছে না। যাতে আমরা নিজেদের কাজ শুরু করে দিতে পারি। আমি মনে করি, আপনারা এবার একটি ভিন্ন ক্যামেরুন দল দেখবেন। আমরা আমাদের সমালোচকদের চুপ করিয়ে দেব।”
