দুই ভাইয়ের গোল, ৭ গোলের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ইন্টারকে হারাল ইউভেন্তুস
রোমাঞ্চ-উত্তেজনায় ঠাসা লড়াইয়ে যোগ করা সময়ের গোলে জিতল ইউভেন্তুস।
কী শ্বাসরুদ্ধকর এক লড়াইয়ের সাক্ষী হলো তুরিনের আলিয়াঞ্জ স্টেডিয়াম। দুই দফায় পিছিয়ে পড়ে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয়ের আশা জাগাল ইন্টার মিলান। কিন্তু নাটকীয়তার তখনও ঢের বাকি! শেষ দিকে সমতা টেনে যোগ করা সময়ে আরেকটি গোল করল ইউভেন্তুস। ঘরের দর্শকদের উচ্ছ্বাসে ভাসিয়ে ‘ডার্বি দি ইতালিয়া’ জিতল তারা।
নিজেদের মাঠে রোমাঞ্চ-উত্তেজনায় ঠাসা সেরি আর ম্যাচটি শনিবার ৪-৩ গোলে জিতেছে ইউভেন্তুস।
ফ্রান্সের ১৯৯৮ বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য লিলিয়ান থুরামের দুই ছেলে মার্কাস থুরাম ও কিফহেন থুরাম এই ম্যাচে গোল করেছেন ভিন্ন দুই দলের হয়ে। ইন্টারের হয়ে মার্কাস থুরাম, ইউভেন্তুসের জার্সিতে কিফহেন থুরাম।
পজেশন ও গোলে শট নেওয়ায় এগিয়ে ছিল ইন্টার। সফরকারীদের ১৮ শটের বিপরীতে ইউভেন্তুস নিতে পারে ১২টি, তবে দুই দলই লক্ষ্যে রাখতে পারে সমান চারটি করে শট।
চতুর্দশ মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে হাফ ভলিতে গোল করে ইউভেন্তুসকে এগিয়ে নেন লয়ড কেলি। ৩০তম মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে জোরাল নিচু শটে সমতা ফেরান হাকান কালহানোগলু।
ইউভেন্তুস আবার এগিয়ে যায় ৩৮তম মিনিটে। বক্সের অনেকটা বাইরে থেকে ডান পায়ের বুলেট গতির শটে গোলটি করেন কেনান ইলদিজ।
প্রথমার্ধে আর কোনো গোল হয়নি। ৬৫তম মিনিটে আরেকটি চোখধাঁধানো গোলে স্কোরলাইন ২-২ করেন কালহানোগলু। সতীর্থের হেড বক্সের বাইরে বুক দিয়ে নামে শূন্য থাকা বল জোরাল শটে জালে পাঠান তুরস্কের এই মিডফিল্ডার।
৭৬তম মিনিটে কর্নারে মার্কাস থুরামের হেডে এগিয়েও যায় ইন্টার। তবে ৮২তম মিনিটে ঠিক একই রকমভাবে গোল করে সমতা ফেরান তার চার বছরের ছোট ভাই কিফহেন থুরাম।
তখন মনে হচ্ছিল ড্রয়ে হয়তো শেষ হবে লড়াই। তবে পাঁচ মিনিট যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে আবার পাল্টে যায় চিত্র। বক্সের অনেকটা বাইরে থেকে ডান পায়ের গোলায় বল জালিয়ে পাঠিয়ে ইউভেন্তুস সমর্থকদের উল্লাসে ভাসান দ্বিতীয়ার্ধে বদলি নামা ভাসিলিয়ে আজিচ।
আসরে প্রথম তিন ম্যাচের সবকটি জিতে ৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে ইউভেন্তুস। জয়ে শুরুর পর টানা দুই ম্যাচ হেরে ১১ নম্বরে আছে ইন্টার মিলান।
