ইতিহাস গড়া ডাউম্যানে মুগ্ধ ইয়োকেরেশ
তরুণ সতীর্থের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন ভিক্তর ইয়োকেরেশ।
আর্সেনালের খুব প্রয়োজনের সময় জ্বলে ওঠেন ম্যাক্স ডাউম্যান। একটি গোলে ভূমিকা রাখার পর নিজে আরেকটি করে নাম লেখান ইতিহাসের পাতায়। এভারটনের বিপক্ষে তরুণ সতীর্থের জাদুকরি পারফরম্যান্স মন জয় করে নিয়েছে ভিক্তর ইয়োকেরেশের।
ঘরের মাঠে এদিন ৫৬তম মিনিটে মার্তিন সুবিমেন্দির বদলি হিসেবে মাঠে নামেন ডাউম্যান। তখনও ম্যাচে হয়নি কোনো গোল। এরপরও অনেকটা সময় কেটে যায় সমতায়।
একটা সময় মনে হচ্ছিল, গোলশূন্য ড্রয়ে শেষ হবে লড়াই। নির্ধারিত সময়ের এক মিনিট বাকি থাকতে বদলে যায় দৃশ্যপট। যেখানে ইয়োকেরেশ নায়ক হলে, ১৬ বছর বয়সী ডাউম্যান পার্শ্বনায়ক।
৮৯তম মিনিটে নিখুঁত ফ্রি কিক নেন ডাউম্যান। বল ঠেকাতে গিয়ে ঠিকমতো হাতে ছোঁয়াতে পারেননি পিকফোর্ড। গোলরক্ষকের মারাত্মক ভুলে স্বাগতিকরা পেয়ে যায় ফাঁকা জাল। পিয়েরো ইনকাপিয়ার গায়ে লেগে আসা বল খুব সহজেই জালে পাঠান ইয়োকেরেশ।
যোগ করা সময়ের সপ্তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ডাউম্যান। সমতার চেষ্টায় ফ্রি কিকের সময় গোলরক্ষকসহ এভারটনের সবাই চলে যান আর্সেনালের অর্ধে। নিজেদের অর্ধে বল পেয়ে দারুণ গতিতে ছুটে গিয়ে ফাঁকা জালে বল পাঠান ডাউম্যান।
১৬ বছর ৭৩ দিন বয়সে গোলটি করে দারুণ এক রেকর্ড গড়েন ইংলিশ ফুটবলার। তার চেয়ে কম বয়সে প্রিমিয়ার লিগে জালের দেখা পাননি আর কেউ! ২০০২ সালে এভারটনের জার্সিতে ১৬ বছর ২৭০ দিন বয়সে গোল করা জেমস ভনের রেকর্ড ভেঙে দেন তিনি।
২-০ গোলে জয়ের পর স্কাই স্পোর্টসে ডাউম্যানকে স্তুতির জোয়ারে ভাসান আর্সেনালের সুইডিশ তারকা ইয়োকেরেশ।
“এটা অসাধারণ। তার খেলা দেখলেই সামর্থ্য বোঝা যায়। যখন সে বল পায় শান্ত ও নির্ভীক থাকে।”
“বেশিরভাগ সময়ই সে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়। আর ওই গোলের ক্ষেত্রেও একদম ঠিক কাজটিই করেছে। সে চমৎকার ফুটবলার। তার জন্য দারুণ একটি গোল ছিল এবং আমি তার জন্য খুব খুশি।”
ম্যানচেস্টার সিটির চেয়ে ৯ পয়েন্টে এগিয়ে আর্সেনাল। ৩১ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৭০। এক ম্যাচ কম খেলা সিটির পয়েন্ট ৬১।
