‘ভিনিসিউস একটা জিনিয়াস’
মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলকে স্বস্তির গোল এনে দেওয়া ভিনিসিউস জুনিয়রকে প্রশংসায় ভাসালেন তার সতীর্থ দগলাস সান্তোস।
মরক্কোর বিপক্ষে দলের পারফরম্যান্স সাদামাটা। ওই বিবর্ণতার মাঝে আলোর ঝলকানি কেবল ভিনিসিউস জুনিয়রের গোলটি। ব্রাজিলকে মূল্যবান একটি পয়েন্ট এনে দেওয়া সতীর্থ ফরোয়ার্ডকে প্রশংসায় ভাসালেন দগলাস সান্তোস। বললেন-ভিনিসিউস একটা জিনিয়াস।
মেট লাইফ স্টেডিয়ামে ‘সি’ গ্রুপের ম্যাচে মরক্কোর সাথে ১-১ ড্র করে ব্রাজিল। ইসমায়েল সাইবারির গোলে পিছিয়ে পড়ার পর, দারুণ নৈপুণ্যে সমতা টানেন ভিনিসিউস।
ম্যাচের ৩২তম মিনিটে ব্রুনো গিমারেসের ফিরতি পাস ধরে, ডি-বক্সে বাঁ দিকে কাট করে একজনের বাধা এড়িয়ে জোরাল শটে দূরের পোস্ট দিয়ে গোলটি করেন ভিনিসিউস। চমৎকার গোলটির জন্য সতীর্থের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন সান্তোস।
“ভিনিসিউস একটা জিনিয়াস। ওয়ান-অন-ওয়ান পজিশনে তাকে পাহারায় রাখা কঠিন। চোখের পলকে সহজেই সে প্রতিপক্ষকে ফাঁকি দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারে। এটা সে আবারও করে দেখাল এবং এটা ছিল সুন্দর একটা গোল।”
এ নিয়ে ভিনিসিউস মাঠে থাকা অবস্থায় বিশ্বকাপে সাতটি গোল করল ব্রাজিল। সবগুলো গোলেই যুক্ত ২৫ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।
গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে হাইতির মুখোমুখি হবে বিশ্বকাপের রেকর্ড পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ১-০ গোলে হেরে আসর শুরু করেছে হাইতি। ৩২ বছর বয়সী দগলাসের বিশ্বাস, প্রথম ম্যাচের মলিনতা ঝেড়ে নতুন করে জেগে উঠবে ব্রাজিল।
“(মরক্কোর বিপক্ষে) এটা ছিল আমাদের প্রথম ম্যাচ। শক্তিশালী এক প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলতে নেমেছিলাম আমরা। জানতাম, কঠিন একটা ম্যাচ হবে। যে ফল হয়েছে, সেটা আমরা চাইনি, কিন্তু পিছিয়ে পড়ার পর যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছি, তা থেকে আমাদের আত্মবিশ্বাস নিতে হবে।”
“মরক্কোর বিপক্ষে আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। খুব করে জিততে চেয়েছিলাম আমরা। এই ম্যাচ থেকে ইতিবাচক দিকগুলো নিতে হবে আমাদের। তবে, আমরা জানি, এর চেয়েও ভালো পারফরম্যান্স করতে পারি আমরা।”
ফিলাডেলফিয়ায় বাংলাদেশ সময় আগামী শনিবার সকালে হাইতির মুখোমুখি হবে কার্লো আনচেলত্তির দল।
