অ্যানফিল্ডে অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ডকে চ্যালেঞ্জে ফেলতে চান ফন ডাইক
অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ডের প্রতি লিভারপুলের সমর্থকদের সম্ভাব্য আচরণ নিয়ে মন্তব্য করলেন না ভার্জিল ফন ডাইক।
অস্তিত্বের সঙ্গে জুড়ে থাকা ক্লাব ছেড়ে যাওয়ার চার মাস পর ট্রেন্ট অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ড ফিরেছেন আবার সেই চেনা আঙিনায়। এবার তার পরিচয় ভিন্ন, তিনি এখন প্রতিপক্ষ। যদিও ম্যাচে তার খেলা অনিশ্চিত। তবে যদি তিনি মাঠে নামেন, তার কাজ কঠিন করে তুলতে সবরকম চেষ্টাই করবেন লিভারপুল অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইক ও তার দল।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের লড়াইয়ে মঙ্গলবার লিভারপুলের মাঠে খেলবে রেয়াল মাদ্রিদ। ছেলেবেলা থেকে যে ক্লাবে জীবনের ২০টি বছর কাটিয়েছেন অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ড, সেখানেই আবার ফিরেছেন তিনি।
যদিও লিভারপুলের বিপক্ষে প্রথমবার খেলার অভিজ্ঞতা তার হবে কি না, তা নিশ্চিত নয় এখনও। মাত্রই চোট কাটিয়ে ফিরেছেন। শুরুর একাদশে তার ফেরার সম্ভাবনা হয়তো কমই, দেখা যেতে পারে পরের দিকে।
সেটা শেষ পর্যন্ত যেমনই হোক, প্রত্যাবর্তনের এই পালায় আবেগের ঢেউ তার মনে বয়ে যাওয়ার কথা। তবে লিভারপুলে তার দীর্ঘদিনের রক্ষণ সামলানোর সঙ্গী ফন ডাইকের মনে কাজ করছে না কোনো আবেগ। ম্যাচের আগের দিন তিনি শোনালেন পেশাদারিত্বের কথাই।
“খুব একটা নয় (অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ডের সঙ্গে কথা হয়ে কি না)… ব্যক্তিগত কোনো কিছু তো একদমই নয়। আমি আমার মতো জীবন কাটাই, মাদ্রিদে সে নিজের মতো কাটায়।”
“ট্রেন্ট মানসম্পন্ন ফুটবলার। অনেকবারই সে দেখিয়েছে এটা। খুবই সহজাত ফুটবলার এবং বছরের পর বছর ধরে আমাদের জন্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দলে তার মতো একজনকে পেয়ে আমি খুবই খুশি ছিলাম এবং দারুণ সফলও ছিলাম আমরা। এখন সে আমাদের প্রতিপক্ষ। সে যদি খেলে, যে কাজটায় সে ভালো, তা কঠিন করে তুলতে হবে আমাদের।”
অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ড লিভারপুল ছাড়ার ঘোষণা দেওয়ার পর গত মৌসুমের শেষ দিকে অ্যানফিল্ডে ‘দুয়ো’ দেওয়া হয়েছিল তাকে। সেটা নিয়ে পরে অনেক হইচই হয়েছিল। এবার সমর্থকদের প্রতিক্রিয়া কেমন হবে? ফন ডাইক সেটির গভীরে গেলেন না।
“এটা নিয়ে আমি মন্তব্য করতে চাই না। শুধু এটুকু বলব, লিভারপুলে যতদিন ছিল, সে ছিল অসাধারণ।”
অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ড অবশ্য আগেই অ্যামাজন প্রাইমকে বলেছেন, সমর্থকদের আচরণ যেমনই হোক, লিভারপুলের প্রতি তার ভালোবাসায় কোনো টান পড়বে না
“যেটাই হোক না কেন, লিভারপুলের জন্য আমার অনুভুতি কখনও বদলাবে না। এখানে অনেক স্মৃতি আমার, যা আজীবন আমার হৃদয়ে থাকবে এবং আমাকে যেভাবেই গ্রহণ করা হোক না কেন, তা বদলাবে না।”
“এই ক্লাবকে আমি সবসময়ই ভালোবাসব। সবসময়ই এই ক্লাবের ভক্ত হয়ে থাকব। লিভারপুলে সুযোগ পাওয়ার জন্য সবসময়ই কৃতজ্ঞ থাকব এবং একসঙ্গে যা কিছু অর্জন করেছি, সবসময়ই আমার সঙ্গী হয়ে থাকবে।”
