বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্নে মাঠে ফিরলেন নেইমার
জুন-জুলাইয়ের বিশ্বকাপ দলে ডাক পাওয়া অবশ্য এখন অনেক দূরের পথ ৩৩ বছর এই তারকার জন্য।
হাঁটুতে অস্ত্রোপচারের প্রায় দুই মাস পর প্রথম ম্যাচ খেললেন নেইমার। সেই সঙ্গে কয়েক মাস পর অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে তার মাঠে নামার সম্ভাবনাও একটু উজ্জ্বল হলো।
কয়েক বছর ধরেই একের পর এক চোটের ছোবলে জর্জরিত নেইমারের ক্যারিয়ার। চোটের ধাক্কায় ফর্ম হারিয়ে, ইউরোপীয় ও সৌদি ফুটবলের পাঠ চুকিয়ে ফিরতে হয়েছে স্বদেশের ফুটবলে। কিন্তু মন থেকে আরেকটি বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন মুছে যায়নি তার।
সেই স্বপ্নকে সত্যি করতেই, পুরোপুরি সেরে ওঠার চ্যালেঞ্জে গত ডিসেম্বরে হাঁটুতে ছোট একটা অস্ত্রোপচার করান নেইমার। এরপর, এই প্রথম রোববার ভেলো ক্লুবের বিপক্ষে সান্তোসের ৬-০ গোলে জয়ের ম্যাচে বদলি নেমে দ্বিতীয়ার্ধের পুরোটা সময় খেলেন তিনি।
দারুণ এই জয়ে কাম্পেয়োনাতো পাউলিস্তায় কোয়ার্টার-ফাইনালে উঠেছে সান্তোস।
স্কোরলাইনে নাম লেখানোর দারুণ একটি সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি নেইমার। তবুও, তার পারফরম্যান্সে খুব খুশি সান্তোস কোচ জোয়ান পাবলো।
“আমার মনে হয়, সবার নেইমারকে প্রয়োজন। সান্তোস, জাতীয় দল… সে ভালো করলে (ব্রাজিল কোচ কার্লো) আনচেলত্তি খুশি হবে। একটার সঙ্গে আসলে আরেকটা জড়িত।”
দীর্ঘদিন পর গত বছরের শেষদিকে নেইমারের পায়ে তার পুরনো দিনের কিছু ঝলকের দেখা মেলে। অবদান রাখেন শীর্ষ পর্যায়ের লিগ থেকে সান্তোসের অবনমন এড়ানোয়।
বর্তমানে নিশ্চিতভাবেই তার মূল লক্ষ্য জাতীয় দলে ফেরা। এজন্য অবশ্য সবার আগে পূর্ণ ফিটনেস ফিরে পেতে হবে তাকে। কারণ কোচ আনচেলত্তি আগেই জানিয়েছেন, পরিপূর্ণ ফিট না হলে কোনো খেলোয়াড়কেই দলে ডাকবেন না তিনি।
২০২৩ সালের অক্টোবরে সবশেষ ব্রাজিলের জার্সিতে খেলেছিলেন দেশটির সর্বোচ্চ গোলদাতা (৭৯টি) নেইমার।
ক্যারিয়ারের সেরা সময় নেইমার অনেক পেছনে ফেলে আসলেও, পাবলোর কাছে এখন সেরা ৩৩ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।
“সে বিশ্ব-মানের খেলোয়াড়।”
“তার মধ্যে এখনও সেই আকাঙ্ক্ষা আছে। প্রতি ম্যাচে (অল্প সময়ের খেলায়) কিংবা অনুশীলনে নিজেদের মধ্যে লড়াইয়েও আমি তা দেখতে পাই, সে ওইসব লড়াইয়েও সেখানে থাকতে চায় এবং জিততে চায়। এসব তাকে অনুপ্রাণিত করে।”
