গোল করেই চলেছেন হলান্ড, সিটির আরেকটি জয়
সত্যিই যেন ক্যারিয়ারে সেরা সময় কাটাচ্ছেন ম্যানচেস্টার সিটির এই গোলমেশিন।
বিরতির পর আপনরূপে জ্বলে উঠলেন আর্লিং হলান্ড। জোড়া গোল করে গড়ে দিলেন ব্যবধান। এভারটনকে হারিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে উঠল ম্যানচেস্টার সিটি।
ইতিহাদ স্টেডিয়ামে শনিবার প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচটি ২-০ গোলে জিতেছে পেপ গুয়ার্দিওলার দল।
আট ম্যাচে পাঁচ জয় ও এক ড্রয়ে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে সিটি।
দুইয়ে নেমে যাওয়া আর্সেনালের পয়েন্টও সমান ১৬। একটি ম্যাচ কমও খেলেছে তারা; ফুলহ্যামের মাঠে জিতলেই শীর্ষে ফিরবে মিকেল আর্তেতার দল।
প্রথমার্ধে এভারটন খুব ভালো একটি সুযোগ পায় চতুর্দশ মিনিটে; কাছ থেকে অল্পের জন্য শটটি লক্ষ্যে রাখতে পারেনিনি পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড বেতো।
এর কিছুক্ষণ পর আত্মঘাতী গোল খেতে বসেছিল এভারটন। প্রতিপক্ষের কর্নার ক্লিয়ার করতে হেড করেন ডিফেন্ডার জেক ও’ব্রাইন; বল ক্রসবারে লাগলে হাফ ছাড়েন তিনি ও তার দল।
ওই ঘটনার আগে-পরে বেশ কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করে সিটি। বিরতির আগে গোলের জন্য মোট ৯টি শট নিয়ে ৩টি লক্ষ্যে রাখতে পারে তারা; কিন্তু সাভিনিয়ো-নিকো ও’রাইলিরা পারেননি সাফল্য খুঁজে নিতে।
ক্লাব কিংবা জাতীয় দল, মৌসুমের শুরু থেকে অবিশ্বাস্য ফর্মে ছুটছেন হলান্ড। তবে এদিন প্রথমার্ধে নিজের ছায়া হয়ে ছিলেন তিনি। বিরতির পর খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসেন; পাঁচ মিনিটে দুই গোল করে দলকে এগিয়ে নেন জয়ের পথে।
৫৮তম মিনিটে ও’রাইলির ক্রস ডি-বক্সের বাইরে পেয়ে হেডে ডেডলক ভাঙেন হলান্ড। সিটির জার্সিতে লিগে এই নিয়ে টানা ছয় ও সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা আট ম্যাচে জালের দেখা পেলেন তিনি।
এগিয়ে যাওয়ার উচ্ছ্বাস থাকতেই দ্বিতীয় গোলটি করে সিটি। বাঁ দিক দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে কাটব্যাক করেন সাভিনিয়ো, আর বাঁ পায়ের শটে বল জালে পাঠান হলান্ড।
ক্লাব ফুটবলে এবারের লিগে আট ম্যাচে তার গোল হলো ১১টি, সব মিলিয়ে ১০ ম্যাচে ১৪টি।
বাকি সময়ে একচেটিয়া চাপ ধরে রেখেই লিগে টানা তৃতীয় জয়ের আনন্দে মাঠ ছাড়ে সিটি। শেষ মুহূর্তে আরেকটি হ্যাটট্রিক পূরণের সুবর্ণ সুযোগও আসে হলান্ডের সামনে, যদিও সেটা কাজে লাগাতে পারেননি তিনি।
