ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলে ডাক পাওয়াটা কুইয়ার কাছে ভাগ্য
অলিম্পিকে সোনা জয়ী এই স্ট্রাইকার এবার বিশ্বকাপে কাটাতে চান ২৪ বছরের খরা।
মৌসুমের দ্বিতীয়ভাগে এসে ছন্দের দেখা পেয়েছেন মাথেউস কুইয়া। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফেরায় রেখেছেন অবদান। ফিনিশিংয়ে উন্নতি করায় মিলেছে বড় পুরস্কার, তাতেই জায়গা পেয়েছেন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলে।
কোচ কার্লো আনচেলত্তি ঘোষিত ২৬ জনের দলে থাকা কুইয়া গত বুধবার নিজের ২৭তম জন্মদিনে যোগ দিয়েছেন ক্যাম্পে। শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে বললেন, তার ডাক পাওয়ায় হয়তো ভাগ্যের ভূমিকাই বেশি।
“জীবনের মতো ফুটবলেও, কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যেতে হয় এবং সেগুলো জয় করতে হয়, এসবই একটা প্রক্রিয়ার অংশ।”
“আমি যেসবের মধ্য দিয়ে গিয়েছি, এরপর, এই তালিকায় আমার নাম থাকা, নিজের জন্মদিনে (ক্যাম্পে যোগ দেওয়া)… আমার ধারণা এটা ভাগ্য। এসবের অংশ হতে পেরে আমি খুব খুশি।”
আতলেতিকো মাদ্রিদে থাকার সময় ২০২২ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দলে জায়গা করে নিতে পারেননি কুইয়া। গত গ্রীষ্মে উলভারহ্যাম্পটন ওয়ান্ডারার্স থেকে ইউনাইটেডে যোগ দিয়ে শুরুটা ভালো হয়নি তার। তবে মৌসুমের দ্বিতীয়ভাগে ফিরে পান ছন্দ।
লিগে ৩৩ ম্যাচে ১০ গোল করেন অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার, অবদান রাখেন চার গোলে। তৃতীয় স্থানে থেকে আসর শেষ করে ইউনাইটেড। সেই ছন্দ জাতীয় দলে বয়ে নিয়ে আনচেলত্তিকে মুগ্ধ করতে চান কুইয়া।
জাতীয় দলে এখন পর্যন্ত অবশ্য তার পারফরম্যান্স আশানুরূপ নয়; আন্তর্জাতিক ফুটবলে ২১ ম্যাচ খেলে কেবল একটি গোল করতে পেরেছেন তিনি।
২০০২ সালের পর বিশ্বকাপে শিরোপা জিততে পারেনি রেকর্ড পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। ষষ্ঠ শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে ইউরোপের সফলতম কোচদের একজন আনচেলত্তিকে দায়িত্ব দিয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশটি। তার কোচিংয়ে দলটির খেলায় উন্নতির ছাপও দেখা গেছে।
২০২০ অলিম্পিকসের ফুটবল ইভেন্টে ব্রাজিলের দ্বিতীয় সোনা জয়ে ভূমিকা রেখেছিলেন কুইয়া। এবার বিশ্বকাপে ২৪ বছরের খরা কাটানোয় অবদান রাখতে চান তিনি।
“একটি অলিম্পিক সোনা আর একটি বিশ্বকাপ ট্রফি… ঈশ্বরের কাছে এর বেশি কিছু চাইতে পারি না, সত্যিই। আমি মনে করি, কঠোর পরিশ্রম করলে ফল পাওয়া যায়।”
