২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

মাকে জিম্মি করে কিশোরীকে দলবেঁধে ধর্ষণ: দেড় যুগ পর ফাঁসির আরেক আসামি গ্রেপ্তার

চলতি বছরের ১৪ জুলাই ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ ওসমান হায়দার তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন।

মাকে জিম্মি করে কিশোরীকে দলবেঁধে ধর্ষণ: দেড় যুগ পর ফাঁসির আরেক আসামি গ্রেপ্তার

দলবেঁধে ধর্ষণের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. আবুল কাশেম। 

ফেনী প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 20 Oct 2022, 08:35 PM

Updated : 20 Oct 2022, 08:35 PM

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় মাকে জিম্মি করে কিশোরী মেয়েকে দলবেঁধে ধর্ষণের দেড় যুগ পর আরও এক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে এ মামলার পলাতক তিন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিই গ্রেপ্তার হলেন।

বুধবার রাতে র‌্যাব কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার কুটুম্বপুর এলাকার একটি বাসা থেকে আসামি মো. আবুল কাশেমকে গ্রেপ্তার করে বলে সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মো. খালেদ হোসেন দাইয়্যান জানান।

সোনাগাজী উপজেলার বাসিন্দা কাশেমকে (৫৫) বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।  

মামলা ও আদালতের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ২০০৩ সালের ১৩ মে রাতে কয়েক যুবক সোনাগাজী উপজেলার একটি বাড়িতে দরজা ভেঙে ঢোকেন। পরে তারা বাড়ির গৃহবধূকে বেঁধে রাখেন ও কিশোরী মেয়েকে দলবেঁধে ধর্ষণ করেন।

পরের দিন কিশোরীর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে চার জনকে আসামি করে মামলা করেন। একই বছরের ১৩ আগস্ট সোনাগাজী থানার এসআই নুরুল ইসলাম চার আসামিকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলার নয় জন সাক্ষ্য দেন।

ঘটনার ১৯ বছর পর চলতি বছরের ১৪ জুলাই ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ ওসমান হায়দার তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং একজনকে খালাস দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য দুই আসামি হলেন- সোনাগাজী উপজেলার লাতু মিয়া ও জাহাঙ্গীর আলম। এর মধ্যে গত ১০ সেপ্টেম্বর রাতে ফেনী শহরের মিজান রোডের একটি বাসা থেকে জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আর মঙ্গলবার রাজধানীর দক্ষিণ বাড্ডা এলাকা থেকে লাতু মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৩ এর এসআই মো. আল আমিন সরকার বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক তিন আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাবও মাঠে নামে। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে লাতু মিয়া ও আবুল কাশেমকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।