২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

অবৈধভাবে চাল মজুতদারদের জেলে দেওয়ার নির্দেশ খাদ্যমন্ত্রীর

“কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নির্বাচনের সুযোগ নিয়ে চালের দাম বাড়িয়েছিল।“

অবৈধভাবে চাল মজুতদারদের জেলে দেওয়ার নির্দেশ খাদ্যমন্ত্রীর

রাজশাহীতে বিভাগীয় প্রশাসনের আয়োজনে এক মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন  খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

রাজশাহী প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 25 Jan 2024, 04:15 PM

Updated : 25 Jan 2024, 07:58 PM

অবৈধভাবে চাল মজুত করলে মজুতদারদের জরিমানা অথবা মামলা দিয়ে জেলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। 

তিনি বলেছেন, “তারা যে দলের, যার আত্মীয়ই হোক না কেন- কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।” 

বৃহস্পতিবার দুপুরে বিভাগীয় প্রশাসনের আয়োজনে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। 

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নির্বাচনের সুযোগ নিয়ে চালের দাম বাড়িয়েছিল। তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন মাঠে কাজ করছে। সারাদেশে মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে, থাকবে। কেউ চালের দাম বাড়ালে সেটা বরদাশত করা হবে না।” 

চালের দাম বাড়ানোর বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ব্যবসায়ীদের চালের দাম বাড়ানোর কোনো যুক্তিই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। 

“হঠাৎ দাম বাড়িয়ে বাজার অস্থির করলে কোনোভাবেই তা বরদাশত করা হবে না। মিল গেটে বিক্রয় করা চালের বস্তায় তারিখ ও দাম উল্লেখ করতে হবে। এটা সরকারের সিদ্ধান্ত।” 

সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, “অনেক গোডাউনে গিয়ে দেখা যায়, মিলে ঘাস গজিয়ে উঠেছে, সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগও নেই। এমন মিলেও অবৈধ মজুত পাওয়া যাচ্ছে। অনেক মিল মালিক লোন নিয়েও অটোমেটিক মিল চালাতে পারে না। সেই মিল দেউলিয়া ঘোষণা করার পর কেনো করপোরেট প্রতিষ্ঠান সেই মিল কিনে নেয়।” 

তবে কেউ ফুড গ্রেইন লাইসেন্স ছাড়া ধান-চালের ব্যবসা করতে পারবে না বলে সতর্ক করেন খাদ্যমন্ত্রী। 

রাজশাহী বিভাগের কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীরের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন রাজশাহী-২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান বাদশা, খাদ্য সচিব ইসমাইল হোসেন, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাখাওয়াত হোসেন। 

এ সময় সভায় রাজশাহী বিভাগের সব জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও মিল মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।