বগুড়ায় গোঙানির শব্দ শুনে ঘরে ঢুকে দেখেন স্ত্রীর গলা কাটা লাশ
রাতে একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া শেষ স্বামী-স্ত্রী আলাদা ঘরে শুয়ে পড়েন।
বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। তবে ওই গৃহবধূর স্বামী পাশের ঘরে ছিলেন; যিনি মধ্যরাতে গোঙানির শব্দ শুনে স্ত্রীর ঘরে ঢুকে গলা কাটা লাশ পান।
বুধবার রাত সোয়া ১২টার দিকে উপজেলার মমিনহাটা দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন বগুড়া জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (গাবতলী সার্কেল) হুমায়ুন কবীর।
নিহত ৪৫ বছর বয়সী রীতা রানী মজুমদার ওই এলাকার বিধান চন্দ্র রায়ের স্ত্রী। দম্পতির দুই ছেলে-মেয়ে পড়াশোনার কারণে ঢাকায় থাকেন। বাড়িতে শুধু স্বামী-স্ত্রী বসবাস করতেন।
বিধান চন্দ্র রায় বলেন, “রাত ১০টার দিকে একসঙ্গে খাওয়া দাওয়া শেষ অন্যান্য দিনের মত দুজন আলাদা ঘরে শুয়ে পড়ি। রাত সোয়া ১২টার দিকে ঘরের দরজায় জোরে ধাক্কার শব্দে ঘুম ভাঙে।
“এরপর স্ত্রীর ঘর থেকে গোঙানির শব্দ শুনে বের হই। স্ত্রীর ঘরে ঢুকে দেখি, রিতার গলা কাটা নিথর দেহ মেঝেতে পড়ে। এরপর চিৎকার করে বের হয়ে দেখি বাড়ির সদর দরজাও খোলা।”
বৃহস্পতিবার সকালে খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
সহকারী পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবীর বলেন, গলাকাটা অবস্থায় ওই নারী তার শোবার ঘরের মেঝেতে পড়েছিল। ঘটনায় রহস্য উন্মোচন করে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে কাজ করছে পুলিশ।
