আগৈলঝাড়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থীর ‘প্রচার গাড়ি-মাইক ভাঙচুর, কর্মীকে মারধর’
“আনারস প্রতীকের প্রার্থীর লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালিয়ে প্রচার গাড়ি ও মাইক ভাঙচুর করে।”
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রচার মাইক ভাঙচুর এবং তার দুই কর্মীকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের মোল্লাপাড়া বাজার এলাকায় দোয়াত কলম প্রতীকে প্রার্থী যতিন্দ্রনাথ মিস্ত্রির প্রচার গাড়িতে এ হামলা চালানো হয় বলে তিনি নিজেই জানিয়েছেন।
মারধরে আহতরা হলেন- বাকাল গ্রামের আব্দুল কালাম আকনের ছেলে আমিনুল ইসলাম (২৭) ও হরলাল বেপারীর ছেলে হরষিত বেপারী (২৪)।
আহত দুইজনকে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তৃতীয় দফায় আগামী ২৯ মে ভোটে আগৈলঝাড়া উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে দুই প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
তারা হলেন- আনারস প্রতীকের প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত ও দোয়াত কলমের প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক যতিন্দ্রনাথ মিস্ত্রি।
যতিন্দ্রনাথ বলেন, “উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের মোল্লাপাড়া বাজারের পাশ দিয়ে প্রচার গাড়ি ইজিবাইকে নিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকের প্রার্থীর লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালিয়ে আমার প্রচার গাড়ি ও মাইক ভাঙচুর করে।
“হামলাকারিরা এ সময় প্রচার গাড়িতে থাকা দুই কর্মীকে পিটিয়ে আহত করে। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করে।”
এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন যতিন্দ্রনাথ।
তবে আগৈলঝাড়া থানার ওসি আলম চাঁদের দাবি তিনি কোন অভিযোগ পাননি।
এ পুলিশ কর্মকর্তার ভাষ্য, “হামলার খবর শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত কারো অভিযোগ পাইনি।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আনারস প্রতীকের প্রার্থী আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত বলেন, “আমি এ ধরনের কোন ঘটনা শুনি নাই। আপনার কাছে প্রথম শুনলাম। আমার কোন কর্মী হামলা করেছে, প্রমাণ দিক।”
