কুলিয়ারচর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী
একই উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদেও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
চতুর্থ ধাপে অনুষ্ঠিতব্য কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে একমাত্র প্রার্থী আবুল হোসেন লিটন।
তিনি কুলিয়ারচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি।
এর আগে ঘোষিত তফশিল অনুযায়ী গত ৯ মে বৃহস্পতিবার শেষ দিনে আবুল হোসেন লিটন ছাড়া অন্য কেউ চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেননি।
রোববার বাচাইয়ে তার মনোনয়নপত্রটি বৈধ বলে বিবেচিত হওয়ায় তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন একক প্রার্থী হিসেবে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে চলেছেন।
আবুল হোসেন লিটন এক যুগ ধরে কুলিয়ারচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।
এদিকে, একই উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদেও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আনিছুর রহমান খানের নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
ভাইস চেয়ারম্যান পদে অপর প্রার্থী নূরে আলমের দাখিল করা মনোনয়নপত্রটি বাছাইয়ে বাতিল হয়ে যাওয়া। প্রার্থী তার প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলে যেতে পারবেন। আপিলে তার মনোনয়নপত্রটি বৈধ বলে বিবেচিত হলে এ পদে নির্বাচন হতে হবে।
এদিকে, আগামী ৫ জুন চতুর্থ ধাপে অনুষ্ঠিতব্য কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর, কুলিয়ারচর ও ভৈরব উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতাকারী চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের মনোনয়নপত্র বাছাই সম্পন্ন হয়েছে।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে দুপুর থেকে বাছাই কার্যক্রম শুরু হয়।
বাছাইয়ে কুলিয়ারচর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদে একজনের এবং ভৈরব উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদে চারজনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়।
বাছাইয়ে উপস্থিত রিটার্নিং অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এটিএম ফরহাদ চৌধুরী জানান, আগামী ১৯ মে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষে দিনে যদি মো. আবুল হোসেন লিটন প্রত্যাহার না করেন তবে তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, বাজিতপুরে চেয়ারম্যান পদে চারজন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে চারজন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে তিনজন, কুলিয়ারচরে চেয়ারম্যান পদে একজন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে একজন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে তিনজন এবং ভৈরবে চেয়ারম্যান পদে ছয়জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে তিনজন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র বৈধতা পেয়েছে।
মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তা, পুলিশ ও বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি এবং প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
