বকেয়া আদায়ে গিয়ে হামলার শিকার বাখরাবাদের কর্মকর্তারা, মামলা
গত ৭ সেপ্টেম্বর পূর্ব মেড্ডা এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, গ্যাস লিকেজ শনাক্ত ও বকেয়া বিল আদায়ে অভিযানে গেলে এ ঘটনা ঘটে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, গ্যাস লিকেজ শনাক্ত ও বকেয়া বিল আদায় করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের সহকারী কর্মকর্তা (কারিগরি) ইকবাল হোসেন মামলা করেন বলে থানার ওসি মুহাম্মদ আজহারুল ইসলাম জানান।
মামলায় চার জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত পরিচয় আরও ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার বিবরণে বলা হয়, ৭ সেপ্টেম্বর পূর্ব মেড্ডা এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, গ্যাস লিকেজ শনাক্ত ও বকেয়া বিল আদায়ে অভিযানে যায় বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের কুমিল্লা অফিসের একটি দল। ওই দলের নেতৃত্বে ছিলেন বাখরাবাদের কুমিল্লার উপ-ব্যবস্থাপক কাজী আবু ওবায়েদ।
বাখরাবাদের আভিযানিক দলের সঙ্গে ছিলেন গ্যাস লিকেজ শনাক্তকরণ কাজে নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স সেলভেশন ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেডের প্রতিনিধিও।
অভিযানে গ্রাহক তিতন মিয়ার (গ্রাহক সংকেত নম্বর ১-৪০-০৫২৩০) বাড়ির গ্যাস সংযোগটির বিল গত তিন বছর ধরে বকেয়া থাকায় এবং রাইজার ও অভ্যন্তরীণ লাইনে প্রচুর গ্যাস লিকেজ শনাক্ত হওয়ায় দুর্ঘটনা রোধে সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করা হয়।
এ ঘটনায় আসামিরা আভিযানিক দলের প্রধান আবু ওবায়েদসহ অন্যদের বাকিদের ওপর হামলা করে তাদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। এছাড়া সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা রাইজারটিও ছিনিয়ে নেয়।
এছাড়াও আভিযানিক দলের প্রধান আবু ওবায়েদের হাতের ব্রেসলেট এবং শ্রমিক কামরুল মিয়ার কাছে থাকা নগদ ৩৫০০ টাকা লুটসহ গ্যাস লিকেজ শনাক্তকরণে ব্যবহৃত তিনটি মিটার ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা।
মামলাটির তদন্ত চলছে জানিয়ে ওসি মুহাম্মদ আজহারুল ইসলাম বলেন, আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
