০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ফেইসবুকে পোস্ট, রাজশাহীতে কলেজ শিক্ষক বরখাস্ত

১৫ অগাস্ট বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নিজের ফেইসবুক আইডিতে একটি ফটোকার্ড পোস্ট করেন সোহেলী আক্তার।

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ফেইসবুকে পোস্ট, রাজশাহীতে কলেজ শিক্ষক বরখাস্ত
রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার নন্দনগাছী মহাবিদ্যালয়।

রাজশাহী প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 17 Aug 2026, 08:12 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:51 PM

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ফেইসবুকে পোস্ট করায় রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার নন্দনগাছী মহাবিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

সোমবার কলেজের ব্যবস্থাপনা পর্ষদের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন ওই কলেজের অধ্যক্ষ ওয়াহেদুল ইসলাম।

তবে সাময়িক বরখাস্তের আগে ওই শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন কলেজ কর্তৃপক্ষ।

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া সোহেলী আক্তার নন্দনগাছী মহাবিদ্যালয়ের গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিষয়ের প্রভাষক। 

১৫ অগাস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নিজের ফেইসবুক আইডিতে একটি ফটোকার্ড পোস্ট করেন সোহেলী আক্তার। ফটোকার্ডে বঙ্গবন্ধুর ছবি এবং ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি’ লেখা ছিল। ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘বিনম্র শ্রদ্ধা’। 

এর দুই দিন পর সোমবার তাকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয় কলেজের ব্যবস্থাপনা পর্ষদ।

অধ্যক্ষ ওয়াহেদুল ইসলাম বলেন, “প্রভাষক সোহেলী আক্তার নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের প্রধানকে নিয়ে ফেইসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। বিষয়টি জানতে পেরে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

“প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে কেউ এ ধরনের রাষ্ট্রবিরোধী পোস্ট দিতে পারেন না। কলেজের শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।”

তবে কারণ দর্শানোর নোটিস না দিয়েই সাময়িক বরখাস্তের বিষয়ে জানতে চাইলে কোনো মন্তব্য করেননি অধ্যক্ষ।

তবে সাময়িক বরখাস্তের বিষয়টি জানেন না বলে দাবি করেছেন সোহেলী আক্তার। তিনি বলেন, “আমাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে, এটা আমি জানি না। সাংবাদিকেরা ফোন করার পর জানতে পেরেছি। আমার কী দোষ, সেটাও তো জানি না। এ বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই।”

সর্বসম্মতিক্রমে ওই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় বলে জানিয়েছেন কলেজের ব্যবস্থাপনা পর্ষদের সভাপতি ও চারঘাটের নিমপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম।

তবে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়নি বলে স্বীকার করেন তিনি। সাইফুল ইসলাম বলেন, “এটা দেওয়া হয়নি। তবে তার ওই শিক্ষকের আরও দোষ আছে।”