২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

টুঙ্গিপাড়ায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রচারে বাধার অভিযোগ

অভিযোগ অস্বীকার করেছেন টুঙ্গিপাড়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোক্তার মোল্লা।

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 02 Feb 2026, 03:13 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:50 PM

গোপালগঞ্জ-৩ আসনের (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) ১১ দলীয় জোট ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আব্দুল আজিজ মাক্কী নির্বাচনি প্রচারে বাধা দেওয়া ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির বিরুদ্ধে।

সোমবার বেলা ১১টায় গোপালগঞ্জের ঘোনাপাড়ায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নির্বাচনি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন আব্দুল আজিজ মাক্কী।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত কয়েকদিন ধরে নেতাকর্মীদের নিয়ে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার কুশলী ইউনিয়নের নিলফা ও খালেক বাজার এলাকায় নির্বাচনি প্রচারে গেলে বিএনপির প্রার্থী এস এম জিলানীর কর্মী-সমর্থকরা সেখানে বাধা দেন। 

তার অভিযোগ, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোক্তার মোল্লা ও তার ভাই মিরাজ মোল্লার নেতৃত্বে তাদের প্রচারে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়। এ সময় উত্তেজনাকর স্লোগান দেওয়া হয়, যা পরিস্থিতিকে অস্থির করে তোলে। 

আব্দুল আজিজ বলেন, “বিএনপির নেতাকর্মীদের আচরণে আমাদের নেতাকর্মীরা সেখান থেকে সরে যেতে বাধ্য হন। আমি তাৎক্ষণিকভাবে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও টুঙ্গিপাড়া থানার ওসিকে বিষয়টি জানাই। পরে নির্বাহী হাকিম ও থানার ওসি কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে যান। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা ঘটবে না বলে আশ্বাস দেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।”

তিনি বলেন, “আমরা নির্বাচনে সমান সুযোগ (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড) চাই। বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্বাচন কতটা নিরপেক্ষ হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরপেক্ষ ভূমিকা কামনা করেন।”

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোক্তার মোল্লা বলেন, “বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী বা তার সমর্থকদের প্রচারে বাধা দেওয়া হয়নি।” 

তিনি দাবি করেন, “জামায়াতের আমিরের ফেইসবুকে নারীদের নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে ছেলেপেলেরা স্লোগান দিয়েছেন, তবে কাউকে প্রচারে বাধা দেওয়া হয়নি।”

টুঙ্গিপাড়া সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জহিরুল আলম বলেন, “বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী সকালে মোবাইল ফোনে বিষয়টি জানানোর পর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও থানার ওসিকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছিলাম। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, দুই পক্ষের মধ্যে একটু বাকবিতণ্ডা হয়েছে। তারপরও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”