৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে আন্দোলন অব্যাহত

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পুরোপুরি অন্তর্ভুক্তির প্রজ্ঞাপন না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 30 Sep 2026, 09:55 PM

Updated : 30 Sep 2026, 09:55 PM

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরিবর্তে প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম পুরোপুরি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে টানা চারদিন ধরে আন্দোলন করছেন সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা।

দাবি বাস্তবায়নের সরকারি প্রজ্ঞাপন না হওয়া পর্যন্ত এ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে সিলেট নগরের বন্দরবাজার এলাকার কোর্ট পয়েন্টে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা।

অবস্থানকালে আন্দোলনকারীরা ‘এক দুই তিন চার, কারিগরি আমায় ছাড়’, ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে’, ‘কারিগরির দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’সহ নানা স্লোগান দিয়ে দ্রুত সরকারি প্রজ্ঞাপন জারির আহ্বান জানান।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থী মাজারুল ইসলাম খান বলেন, “শিক্ষার্থীদের দাবি নিয়ে আমরা সিলেটের বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করেছি। বিভাগীয় কমিশনার আমাদের দাবি সম্পর্কে অবগত আছেন এবং আশ্বস্ত করেছেন। তবে শুধু আশ্বাসে আমরা শ্রেণিকক্ষে ফিরব না; দাবি বাস্তবায়নে দ্রুত সরকারি প্রজ্ঞাপন দেখতে চাই।”

রোববার থেকে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনে অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন। দীর্ঘ ৩৫ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর সোমবার রাত ১০টার দিকে কলেজের অধ্যক্ষ, ১৪ শিক্ষকসহ ২০ কর্মকর্তা-কর্মচারী মুক্তি পান। তবে শিক্ষকরা এখনো ক্যাম্পাস ছাড়তে পারেননি।

পরবর্তী সময়ে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করে সব ধরনের ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের পাশাপাশি কলেজের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কাজ বন্ধের ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা জানান, ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই স্নাতক পর্যায়ের প্রকৌশল কলেজে বর্তমানে তিনটি বিভাগে প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন।

কলেজটির একাডেমিক কার্যক্রম শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকলেও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন। প্রশাসনিক ও একাডেমিক এই দ্বিধাগ্রস্ত কাঠামোর কারণে দীর্ঘদিন ধরে তৈরি হওয়া অসন্তোষের স্থায়ী সমাধান হিসেবে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পূর্ণাঙ্গ অধিভুক্তি চান শিক্ষার্থীরা।