দাফনের ৭২ দিন পর ছাত্র আন্দোলনে নিহত বিশালের লাশ উত্তোলন
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ৪ অগাস্ট জয়পুরহাট শহরে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় বিশাল।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার বিশালকে দাফনের ৭২ দিন পর তার লাশ উত্তোলন করা হয়েছে।
মামলার তদন্তের জন্য আদালতের নির্দেশে বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ধরঞ্জী ইউনিয়নের রতনপুরে পারিবারিক কবরস্থান থেকে তার লাশ উত্তোলন করা হয় বলে জানান জয়পুরহাট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী হাকিম উজ্জ্বল বাইন।
নিহত নজিবুল সরকার বিশাল (১৭) উপজেলার রতনপুর গ্রামের মজিদুল সরকারের ছেলে। সে পাঁচবিবি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইন্সটিটিউটের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ৪ অগাস্ট জয়পুরহাট শহরের পাঁচুর মোড়ে বিশাল গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। তবে ময়নাতদন্ত ছাড়াই বিশালকে দাফন করে পরিবার।
এ ঘটনায় ১৮ আগস্ট বিশালের বাবা মজিদুল বাদী হয়ে জয়পুরহাট আমলী আদালতে একটি হত্যা মামলা করেন।
মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, জয়পুরহাট-১ ও ২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্যসহ ১২৮ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত পরিচয় আরও ৩০০ জনকে আসামি করা হয়।
নির্বাহী হাকিম উজ্জ্বল বাইন সাংবাদিকদের বলেন, “আদালতের নির্দেশে আইনি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরিসহ উত্তোলন করতে এসেছি। আসলে সেদিন কী ঘটেছিল, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের আলোকে পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালিত হবে।”
বিশালের লাশ উত্তোলনের সময় জয়পুরহাট জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিনিধি শাহ আলম শোভন, জয়পুরহাট সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও জেলা গোয়েন্দা শাখার এস আই জাহাঙ্গীর আলম এবং পাঁচবিবি থানার এসআই মাসুম উপস্থিত ছিলেন।
