০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

গবেষণায় অবদান রাখায় ‘ডিনস অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন শাবির ৫ শিক্ষক

“শুধু গবেষণাপত্র প্রকাশ করলেই গবেষণার কাজ শেষ হয় না। গবেষণার ফলাফল কীভাবে বাস্তবে কাজে লাগানো যায়, এখন সেদিকেও গুরুত্ব দিতে হবে।”

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 08 Sep 2026, 06:22 PM

Updated : 19 Sep 2026, 02:26 PM

গবেষণায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষককে ‘ডিনস অ্যাওয়ার্ড ফর রিসার্চ এক্সিলেন্স’ প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইসিটি ভবনের সভাকক্ষে তাদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয় বলে জানিয়েছেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক রবিউল ইসলাম।

কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক শাহিদুর রহমানকে ‘রিসার্চার অব দ্য ইয়ার-২০২৬’ প্রদান করা হয়।

পুর ও পরিবেশ প্রকৌশল এবং স্থাপত্য ক্যাটাগরিতে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন পুর ও পরিবেশ প্রকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আয়েশা ফেরদৌস মিতা।

কেমি কৌশল ও পলিমার বিজ্ঞান, পেট্রোলিয়াম ও খনিপ্রকৌশল বিভাগ এবং খাদ্য প্রকৌশল ও চা প্রযুক্তি ক্যাটাগরিতে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন খাদ্য প্রকৌশল ও চা প্রযুক্তি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জাহিদ হাসান শৌরভ এবং অধ্যাপক মো. জহুরুল ইসলাম।

যন্ত্র প্রকৌশল এবং শিল্প ও উৎপাদন প্রকৌশল ক্যাটাগরিতে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন শিল্প ও উৎপাদন প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মিসেস নাসিমা বেগম।

ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ মস্তাবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. মোজাম্মেল হক এবং শাবিপ্রবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক রবিউল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

অধ্যাপক রবিউল ইসলাম বলেন, “শুধু গবেষণাপত্র প্রকাশ করলেই গবেষণার কাজ শেষ হয় না। গবেষণার ফলাফল কীভাবে বাস্তবে কাজে লাগানো যায়, এখন সেদিকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

“সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ও মেশিন লার্নিংয়ের ব্যবহার বাড়াতে হবে।”

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে অনেক ধরনের সফটওয়্যার, গবেষণাগার ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। কিন্তু সবগুলো সবসময় যথাযথভাবে ব্যবহার হচ্ছে না।

তাই প্রত্যেক বিভাগে একই ধরনের সরঞ্জাম কেনার পরিবর্তে বিদ্যমান সুবিধাগুলোকে একটি নেটওয়ার্কের আওতায় এনে সবাইকে ব্যবহারের সুযোগ করে দেওয়ার কথা বলেন উপ-উপাচার্য।

“একটি ভালো গবেষণা থেকে যদি পেটেন্ট বা বাস্তব কোনো উদ্ভাবন তৈরি করা যায়, সেটিই হবে গবেষণার সবচেয়ে বড় সার্থকতা। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ে পেটেন্টিং ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন”, বলেন তিনি।