চাঁদপুরে দেড় শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, ফের দখলের শঙ্কা
শুধুমাত্র উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে দায় শেষ করলে চলবে না; স্থায়ী সমাধানের জন্য কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করার দাবি সচেতন মহলের।
চাঁদপুর শহরের বড়স্টেশন এলাকা থেকে দেড় শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে প্রশাসন। তবে শুধুমাত্র উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে দায় শেষ করলে চলবে না; স্থায়ী সমাধানের জন্য কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করার দাবি সচেতন মহলের।
বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বড়স্টেশন মোলহেড এলাকায় জেলা প্রশাসন, পৌরসভা, রেলওয়ে ও নৌ-পুলিশের যৌথভাবে এ অভিযান চালায় বলে জানান রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মারুফ হোসেন।
অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেও স্থায়ী সমাধান নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। প্রশাসনের এ অভিযান ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তির চেয়ে শঙ্কাই বেশি। কেননা এসব স্থান পুনরায় দখল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তবে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা এ অবৈধ দখলদারিত্বের পেছনে নিয়ন্ত্রণহীনতা ও নজরদারির ঘাটতির বিষয়টি সামনে এসেছে।
জানা গেছে, রেলওয়ের জায়গা লিজ নেওয়ার আড়ালে কিংবা সরাসরি দখল করে বছরের পর বছর এসব স্থাপনা টিকে ছিল। বারবার উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলেও কার্যকর নজরদারি না থাকায় দখলদাররা পুনরায় জায়গা দখল করেন।
সচেতন মহলের দাবি, শুধুমাত্র উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে দায় শেষ করলে চলবে না; স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রয়োজন কঠোর নজরদারি ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা। তা না হলে এ অভিযানও আগের মতোই সাময়িক উদ্যোগে সীমাবদ্ধ থাকবে।
চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. এরশাদ উদ্দিন বলেছেন, উচ্ছেদের পর স্থায়িত্ব নিশ্চিত না হলে লোকবল ও অর্থ ব্যয়ের সুফল মিলবে না।
অন্যদিকে রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মারুফ হোসেন বলেন, সীমাবদ্ধতার কারণে আগের উচ্ছেদগুলোও স্থায়ী হয়নি, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠেছে- বারবার উচ্ছেদ হলেও কেন থামছে না অবৈধ দখল? সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বহীনতা ও সমন্বয়ের অভাবই কি এর মূল কারণ?
তবে স্থানীয়দের মত, এসব প্রশ্নের জবাব না মিললে বড়স্টেশন এলাকায় অবৈধ দখলদারিত্বের চক্র ভাঙা কঠিনই থেকে যাবে।
