২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

শোকজের জবাবে দুঃখ প্রকাশ খাদ্যমন্ত্রীর, সন্তুষ্ট কমিটি

“নির্বাচনি আচরণ বিধিমালা প্রতিপালনে আমি সতৰ্ক আছি, ভবিষ্যতে আরও বেশি সতর্ক থাকব।”

শোকজের জবাবে দুঃখ প্রকাশ খাদ্যমন্ত্রীর, সন্তুষ্ট কমিটি

নওগাঁ জেলা আদালত চত্বরে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

নওগাঁ প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 17 Dec 2023, 10:28 PM

Updated : 17 Dec 2023, 10:31 PM

নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে করা শোকজের ব্যাখ্যা দিয়ে নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতে আরও বেশি সতর্ক থাকবেন বলে জানিয়েছেন।    

রোববার বিকালে নিয়ামতপুর, পোরশা ও সাপাহার উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির অস্থায়ী কার্যালয়ে গিয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেন মন্ত্রী। 

পরে নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান ও জয়পুরহাটের সহকারী জজ ইফতেখার শাহরিয়ার বলেন, “আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাধন চন্দ্র মজুমদারের কাছে ব্যাখ্যা তলব করেছিলাম। তার লিখিত জবাবে আমরা সন্তুষ্ট। 

“আমাদের নির্বাচনি অনুসন্ধান চলমান থাকবে এবং অভিযোগকারীর সঙ্গে কথা বলে এই বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হবে।” 

লিখিত জবাবে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “মনোনয়নপত্র গৃহীত হওয়ায় ৪ ডিসেম্বর বিকালে আমি সাপাহারে আওয়ামী লীগের নতুন কার্যালয়ের উদ্বোধন ও দোয়া অনুষ্ঠানের উদ্দেশে রওনা হই। পথে পোরশা উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আবেগপ্রবণ হয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আমাকে শুভেচ্ছা জানায় এবং সরাইগাছি দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে যায়।

“কার্যালয়টি খুবই ছোট হওয়ায় নেতাকর্মীদের স্থান সংকুলানে অসুবিধা হলে সরাইগাছি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে উপস্থিত হন এবং আমাকেও সেখানেই নিয়ে যায়। এটা কোনো পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি ছিলো না। তবে নির্বাচনি আচরণবিধি যাতে ভঙ্গ না হয় সেজন্য আমি উপস্থিত নেতাকর্মীদের আসন্ন নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক করার গুরুত্ব সম্পর্কে আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অবহিত করি। 

“পরে সাপাহারের উদ্দেশে রওনা হই। সেখানে কোনো ব্যানার-ফেস্টুন কিংবা শব্দযন্ত্র ব্যবহার করা হয়নি। বস্তুত, সেখানে কোনো সমাবেশের আয়োজন ছিল না। আমার বিরুদ্ধে আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগকারী খালেকুজ্জামানের (স্বতন্ত্র প্রার্থী) মনোনয়নপত্র নানা অসঙ্গতির কারণে রিটার্নিং কর্মকর্তা কর্তৃক বাতিল হওয়ায় সংক্ষুব্ধ হয়ে আমার সুনামহানির জন্য এ অভিযোগ দিয়েছেন মর্মে প্রতীয়মান হয়। 

খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “আমি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও পর পর তিনবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে প্রতিনিধিত্ব করে আসছি। এর আগে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা কখনোই ঘটেনি। নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলার প্রতি আমার পূর্ণ সমর্থন এবং শ্রদ্ধা রয়েছে। 

“আমার অজ্ঞাতে নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গ হলে আমি দুঃখিত। নির্বাচনি আচরণ বিধিমালা প্রতিপালনে আমি সতৰ্ক আছি, ভবিষ্যতে আরও বেশি সতর্ক থাকব”, বলেন সাধন চন্দ্র।