বিভাগ চালানোর যোগ্যতা নাই, হয়ে গেছেন উপাচার্য: শিবির সভাপতি
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাদ্দাম অভিযোগ করেন, ১৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন ব্যক্তিদের ভিসি করা হয়েছে, যাদের একটি বিভাগ পরিচালনারও যোগ্যতা নেই।
বিভাগের দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা না থাকা ব্যক্তিদের দলীয় পরিচয়ে সরাসরি উপাচার্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন।
শনিবার দুপুরে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২১তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
এসব নিয়োগকে ‘মেধার অবমূল্যায়ন’ মন্তব্য করে সাদ্দাম হোসেন বলেন, “১৮টা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি আমরা খুঁজে পেলাম, যাদের একটা ডিপার্টমেন্টের দায়িত্ব পালন করার যোগ্যতাও হয়নি, অথবা ডিপার্টমেন্টে দায়িত্ব পালন করেনি, ডাইরেক্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি হয়েছেন। শুধু দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন ও দলের সঙ্গে থাকার কারণে তারা এসব পদ পেয়েছেন। এগুলো মেধার চূড়ান্ত অবমূল্যায়ন।”
তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্ম সংস্কার ও গণভোটের যে আশা নিয়ে আন্দোলন করেছে, তা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। তা না হলে সাধারণ মানুষ ও ছাত্রসমাজ আবারও রাজপথে আন্দোলন গড়ে তুলবে।
শিবির সভাপতি বলেন, ক্যাম্পাসে র্যাগিং, সিট দখল ও ভর্তি বাণিজ্য বন্ধ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়কে আদর্শ ও নৈতিকতা চর্চার জায়গা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশে ছাত্ররাজনীতিতে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আতিয়ার রহমান বলেন, “রাজনীতি এখন অনেকের কাছে ‘ওয়ান কাইন্ড অব বিজনেস’ বা এক ধরনের ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশে এ ধরনের চেতনা আর চলবে না। এখন ছাত্রদের কাছে আদর্শ, নতুন চিন্তা ও নতুনত্ব নিয়ে যেতে হবে।”
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ও শিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ আরিফুর রহমান সৈকতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরার সদস্য ও নোয়াখালী জেলা জামায়াতের আমির ইসহাক খন্দকার এবং ছাত্রশিবিরের ক্রীড়া সম্পাদক মুশফিকুর রহমান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি আবদুর রহমান।
