গাইবান্ধায় বাণিজ্য মেলা বন্ধের দাবি এনসিপির
কর্মসূচিতে শহরের সাধারণ ব্যবসায়ীরা একাত্মতা প্রকাশ করে অংশ নেন।
গাইবান্ধা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির উদ্যোগে প্রস্তাবিত মাসব্যাপী বাণিজ্য মেলা বন্ধের দাবি জানিয়েছে এনসিপি। একইসঙ্গে দলটি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ক্ষয়ক্ষতি রোধের পাশাপাশি চরম বিদ্যুৎ সংকটেরও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
বুধবার দুপুরে জেলা শহরের ডিবি রোডের গাইবান্ধা নাট্য ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (গানাসাস) মার্কেটের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
এনসিপি গাইবান্ধা পৌর শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে শহরের বিভিন্ন দোকানপাট ও বিপণিবিতানের মালিকসহ সাধারণ ব্যবসায়ীরা একাত্মতা প্রকাশ করে অংশ নেন।
এনসিপি পৌর শাখার আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর কবীর তনুর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ফিহাদুর রহমান দিবস, জেলা আহ্বায়ক এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদি, সদস্যসচিব রাহাদ ইবনে শহীদ, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ইমরান হোসেন এবং জেলা ছাত্রশক্তির মুখ্য সংগঠক আবু জর গিফারী রাফি।
ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ইমরান হোসেন বলেন, সদর উপজেলা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাশে পুরাতন অফিসার্স কোয়ার্টার এলাকায় ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে মাসব্যাপী এই বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে মেলার প্যান্ডেল ও স্টল নির্মাণের যাবতীয় আয়োজন শেষ হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, “রাজনৈতিক অস্থিরতা, রাত ৮টায় দোকান বন্ধের সরকারি বাধ্যবাধকতা এবং তীব্র লোডশেডিংয়ে আমরা এমনিতেই চরম আর্থিক লোকসানে আছি। এর মধ্যে মেলা চালু হলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা পুরোপুরি ধসে পড়বেন এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে।”
এনসিপির জেলা আহ্বায়ক খাদেমুল ইসলাম খুদি বলেন, মেলা প্রাঙ্গণের পাশেই একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। মেলার কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি এলাকায় চুরি ও ছিনতাইয়ের মত অপরাধ বাড়তে পারে। তাই বাণিজ্য মেলার অনুমতি না দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে গাইবান্ধা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ছামিউল হুদা সুমেল বলেন, মেলার অনুমতির বিষয়টি এখন আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে।
তিনি দাবি করেন, উদ্বোধনের সম্ভাব্য তারিখ নাগাদ বিদ্যুৎ সংকট কেটে যাবে এবং মেলার কারণে শিক্ষার্থীদের যেন কোনো অসুবিধা না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হবে।
