০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

রাবির গ্রেপ্তার সেই দুই শিক্ষার্থীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আম্মারের মামলা

আইনজীবী বলেন, আদালত আবেদনটি তদন্তের জন্য পিআইবিকে নির্দেশ দিয়েছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 18 Aug 2026, 09:21 PM

Updated : 19 Sep 2026, 02:24 PM

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে হামলার শিকার এবং পরে গ্রেপ্তার সেই দুই শিক্ষার্থীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মার। 

বাদীপক্ষের আইনজীবী মোহা. সালাহউদ্দিন মঙ্গলবার বিকালে বলেন, রাকসু ভবনে হামলার অভিযোগ এনে ১০ অগাস্ট চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মতিহার আমলি আদালতে মামলার আবেদন করা হয়। আদালত আবেদনটি তদন্তের জন্য পিআইবিকে নির্দেশ দিয়েছে।

মামলার আবেদনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী আনাস আহাম্মেদ, সংস্কৃত বিভাগের মাহমুদুল হাসান মাহিন ও মামুন মিয়া, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মাহফুজুল ইসলাম নয়ন এবং ইসলামী স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী আজহারুল ইসলামসহ অজ্ঞাত আরও সাত থেকে আটজনকে আসামি করা হয়েছে।

দণ্ডবিধির ৩২৩, ৩২৬, ৩০৭, ৩৪১, ৩৪৮, ৩২৪ ও ৪২৭ ধারাসহ সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার আবেদনে বলা হয়, ২৭ জুলাই দুপুরে রাকসু ভবনের দ্বিতীয় তলায় জিএসের ২০২ নম্বর কক্ষে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জড়ো হয়ে আসামিরা জোরপূর্বক প্রবেশ করেন। পরে তারা সালাউদ্দিন আম্মারকে গালিগালাজ ও দুর্ব্যবহার করেন। এর প্রতিবাদ করলে তাকে কিল-ঘুষি মেরে আহত করা হয়। একই সময় অফিসের চেয়ার-টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। এতে প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে আবেদনে দাবি করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, হামলার প্রতিবাদ করতে গেলে রাকসুর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নাজমুস সাকিব ও মাহিন মেহেদী নামে এক শিক্ষার্থীকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে আসামি আনাস লোহার রড দিয়ে নাজমুস সাকিবকে হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করেন। তা ঠেকাতে গিয়ে তার ডান হাত রক্তাক্ত হয়।

এ ছাড়া নাজমুস সাকিবকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে আসামিরা মাহিন মেহেদীর বাম কানে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। এতে তিনিও আহত হন বলে মামলার আবেদনে বলা হয়েছে।

মামলার বিষয়ে জানতে রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মারকে মোবাইলে ফোন করা হলে সেটি তার একজন সহকারী ধরেন। তিনি বলেন, আম্মার ব্যস্ত আছেন। পরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি।

আদালতের নির্দেশনার বিষয়ে জানতে পিবিআই রাজশাহী জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল জলিলকে মোবাইলে ফোন করা হলে তিনি ধরেননি। পরে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও সাড়া পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: