এনসিপির ‘যুবশক্তির’ আত্মপ্রকাশ, ১৩১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি
“এবার মতাদর্শিকভাবে আওয়ামী লীগকে রাজনীতির মাঠ থেকে বিতাড়িত করতে হবে, যুবশক্তি এই কাজ করবে,” বলেন এনসিপি নেতা আখতার।
জুলাই অভ্যুত্থানের সামনের সারির নেতাদের নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির যুব সংগঠন জাতীয় যুবশক্তির আত্মপ্রকাশ ঘটেছে।
শুক্রবার বিকালে সমাবেশ করে যুব সংগঠনের আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ ঘোষণা করা হয়।
ঢাকার ‘শহীদ আবরার ফাহাদ’ সড়কে (আগের বঙ্গবন্ধু এভিনিউ) ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) পরিত্যক্ত কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে ঘোষণা করা হয় যুবশক্তির ১৩১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি।
দলের যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক তারিকুল ইসলামকে যুব সংগঠনের আহ্বায়কের পদটি দেওয়া হয়েছে। যুগ্ম সদস্য সচিব জাহেদুল ইসলাম সামলাবেন সদস্য সচিবের দায়িত্ব। মুখ্য সংগঠকের পদ পেয়েছেন ফরহাদ সোহেলকে।
তারিকুল ইসলাম সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং জাহেদুল ইসলাম একজন চিকিৎসক।
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী যুব শক্তির প্রধান তিনটি পদে মনোনীতদের নাম ঘোষণা করেন।
কমিটির বাকি পদগুলো ঘোষণা করেন সদস্য সচিব জাহেদুল ইসলাম।
কমিটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে তুহিন মাহমুদ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব পদে দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী ও নাহিদা বুশরার নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে সংগঠনের ঘোষণাপত্র পাঠ করেন যুবশক্তির আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম।
সমাবেশে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন,“অন্তর্বর্তী সরকার ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আইনগতভাবে নিষিদ্ধ করেছে। এবার মতাদর্শিকভাবে আওয়ামী লীগকে রাজনীতির মাঠ থেকে বিতাড়িত করতে হবে, যুবশক্তি এই কাজ করবে।
“জুলাই গণঅভ্যুত্থান সংগঠিত হওয়ার পর মানুষ আর আওয়ামী ফ্যাসিবাদী রাজনীতি চায় না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শক্তিগুলোকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”
